
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি ও সীমান্ত উত্তেজনা সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালািউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতের কোনো অঙ্গরাজ্যে সরকার পরিবর্তন বা অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত (যেমন কাঁটাতার নির্মাণ) তাদের নিজস্ব বিষয়।
মন্ত্রী আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলে না। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সার্বক্ষণিক সজাগ রয়েছে।সরকারী সংবাদ
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে লবণ চাষিদের জীবনমান উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও এর প্রভাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পুরাতন ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ধরণের কোনো পরিস্থিতির সত্যতা বা নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার মতো কোনো তথ্য স্বরাষ্ট্র বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। তিনি জনগণকে এ ধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে লবণ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং স্থানীয় লবণ চাষিদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার উৎপাদন খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয় বর্তমানে লবণ চাষিদের উৎপাদন খরচ পর্যালোচনা করছে যাতে তারা তাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পান। দেশে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও ভোজ্য লবণের চাহিদা নিরূপণ করে আমদানির যৌক্তিকতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, যথাযথ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যাতে দেশ লবণ উৎপাদনে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে এবং চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
সূত্র : বাংলা ভিশন












































