প্রচ্ছদ জাতীয় এক বধূর দুই স্বামী, রাতে বড় স্বামী দিনে ছোট স্বামী

এক বধূর দুই স্বামী, রাতে বড় স্বামী দিনে ছোট স্বামী

প্রতিদিন স্বামী মামুনকে কাজে পাঠিয়ে বান্ধতীর বাসায় যাওয়ার অজুহাতে বের হতেন মুক্তা। এরপর চলে যেতেন কাউনিয়ার ভাড়া বাসায় যেখানে অপেক্ষায় থাকতেন তার দ্বিতীয় স্বামী সুরুজ।

সেখানে দিনের বেলাতেই চলত তাদের সংসার রাতে আবার ফিরতেন প্রথম স্বামীর ঘরে এভাবেই চলছিল তার দুই সংসার।

আজ থেকে ১৪ বছর আগে বিবাহ করি তাদের বাবা-মার কাছ থেকে এবং আমার গার্জিয়ান ভাই তার সাথে একাত্র আমরা বিবাহ করি।

দুই বছর আগে শুনতে পারি সে পরকীয়া করে। কার সাথে করে কি করে আমি জানি না। ডেইলি সকালে যাই মিলে সন্ধ্যার পরে আমি আসি। এরকম কোন টের পাই নাই, পরে হঠাৎ করে আমি একদিন জিজ্ঞেস করি তুমি দুপুরে ডেইলি কোথায় যাও তুমি ১১টা ১২টার সময় কোথায় যাও।

কয় আমার বান্ধবীর বাসায় যাই বান্ধবীর বাসায় ডেইলি যাওয়া লাগে বলে আমার কাজ আছে।

 এই গোপন সম্পর্কের পর্দাফাঁস  করেন সুরুজের প্রথম স্ত্রী জান্নাতারা। তার অভিযোগ ২০০৯ সালে বিয়ে হলেও সুরুজের পরকীয়ার ইতিহাস পুরনো। আগেও এমন ঘটনায় জড়িয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু এবার মুক্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর পুরোপুরি বদলে যায় পরিস্থিতি। সংসার ও সন্তানদের অবহেলা করে তিনি জড়িয়ে পড়েন নতুন সম্পর্কে।

ঘটনার মোড় ঘুরে যায় গেল শুক্রবার বিকেলে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় জান্নাতারা এবং আল মামুন হানা দেন সেই ভাড়া বাসায়।

দরজা খুলতেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর সত্য। হাতে নাতে ধরা পড়েন মুক্তা ও সুরুজ। ধরা পড়ার পরও কোন অনুতাপ দেখাননি মুক্তা। বরং সবার সামনে অস্বীকার করেন তার দীর্ঘদিনের স্বামী মামুনকেই।

এদিকে আল মামুনের অভিযোগ আরো গুরুতর। তিনি দাবি করেন ভালোবেসে স্ত্রীকে একটি সীমিল লিখে দিয়েছিলেন যা গোপনে বিক্রি করে প্রায় ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মুক্তা সেই অর্থ দিয়ে সুরুজকে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়া থেকে শুরু করে বিলাসী জীবন যাপন সবই করেছেন তার টাকায় এমনকি সেই অর্থেই ভাড়া নেয়া হয়েছিল গোপন বাসাটিও। সম্পদ ওর নামে এই সম্পদটা গত বিশ্বেও বানাইছে ১৫ লাখ টাকা ৫২ লাখ টাকা বেচছে বেচার পরে বানাইয়া ওরে দিছে মোটর সাইকেল কিনে আবার এই বাসায় মালামাল কিনছে সব বিশ্বাস করি আমি ভালো জানিনা তারে আমার ছোয়া মিলের জমি সম্পূর্ণ তার নামে দলিল দিয়ে দেই। অথচ সে সেই জমিটা অলরেডি বাইনা নেওয়া হয়ে গেছে। খুব তাড়াহুড়ো এখানে অনলাইনে দিয়া তারপরে সে জমিটা স্বর্ণ আছে অনেকে প্রায় তিন ভরি সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ। সেই স্বর্ণ কোথায় রাখছে, কারে দিছে,

কিভাবে রাখছে আমারে দেয় না। অন্যদিকে জান্নাতের অভিযোগ মুক্তা শুধু তার সংসার ভাঙ্গেনি। এর আগেও একাধিক বিয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্বামীকে ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি দুই সন্তানের ভরণপোষণের দাবি জানিয়েছেন। ১১:০০ টা বাজে ওরে পুলিশের থানায় নিয়ে একটা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা হইছে, ধর্ষণ মামলা হইছে। নয়ের এক ধারা। এরপরে আমারে মানুষে মানুষে খবর কয় ভাবি এইভাবে এইভাবে হইছে। এখন ও খালি আমারে ফোন মিলছে জেলে বইসা। এক লাখ ২০ হাজার টাকা ছাড়াইয়া আনছি।

এখন সে খালি সারাদিন এই মহিলা থাকে বেলতলা বাসায় খালি এদিকে আইয়া পড়। এদিকে রাত দুইটা তিনটায় আমার বাসায় ঢুকে। বাসায় যাইয়া আমি সকালবেলায় গেছি। আমারে মহিলারা বলছে বলার পরে সন্ধ্যার মধ্যে পাই আবার বাসা সেই জায়গা থেকে এই জায়গায় পড়ছে পরে বাসের মানুষেরা কয় কি স্বামী চলে যায় বাসা এরপরে এই জায়গায় এক বছর কত কোরবানির আগে আসছে।

এদিকে, কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জিত চন্দ্রনাথ জানান এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে না মামলাটামলা হয় নাই।

আমরা যে ডাকছিলাম কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।