
জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নেই বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
তার দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততাই যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ২০ মিনিটে রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দেওয়া ওই ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘সহমত ভাই’।
ছাত্রদল সভাপতির পোস্ট শেয়ার করে সাদিক কায়েমের ‘সহমত ভাই’
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটে রাকিবুল ইসলাম রাকিব নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জামায়াত নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তুলে পোস্ট করেন।
পোস্টে রাকিবুল ইসলাম রাকিব লেখেন, ‘ইসলামের লেবাসধারীদের সবকিছু হালাল। অথচ জামায়াত নিয়ন্ত্রিত সকল প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কোনো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নেই। সেখানে একমাত্র যোগ্যতা হলো শিবিরের রাজনীতি করা।’
ছাত্রদল সভাপতির পোস্ট শেয়ার করে সাদিক কায়েমের ‘সহমত ভাই’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন নিয়োগের ভাইভা বোর্ডে জামায়াতে ইসলামীর কেউ থাকলে শিবিরের নেতা-কর্মীদের কত নম্বর দেওয়া হয়, তা ‘ওপেন সিক্রেট’। তার দাবি, এ বিষয়টি পাশ কাটিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন ধরে অন্য সংগঠনগুলোকে দায়ী করে ‘প্রপাগান্ডা ও মিথ্যাচারে’ লিপ্ত।
ইসলামী ব্যাংকের নিয়োগ প্রসঙ্গেও রাকিবুল ইসলাম রাকিব অভিযোগ করেন, এস আলমের মালিকানাধীন সময়ে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে যথাযথ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। একই সঙ্গে বর্তমানে ব্যাংকটিতে থাকা ৮ হাজারের বেশি শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে না বলে তিনি দাবি করেন।
রাকিবের ওই পোস্টের শেষাংশে ইসলামী ব্যাংকের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করা হয়। পরে তার পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে এর ক্যাপশনে ‘সহমত ভাই’ লিখে পোস্ট করেন সাদিক কায়েম।












































