
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বাসে আগুন ও ককটেল হামলা করছে কারা, তা বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ—এই দুই বিরোধী দলকে সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে। বিএনপি সরকার বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
তিনি বলেন, এই বিরোধীদল আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায়। যেমন শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে ফিরতে চান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশকে অশান্ত করতে জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল ফোটাচ্ছে।
রাশেদ খান আরও বলেন, এনসিপির এক নেতা স্বীকার করেছেন, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। একই দলের অন্য আর এক নেতা দাবি করেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে নাকি ককটেল আর ফুটবে না।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা কি অপরাধ করছে না?
জুলাইয়ের সময়ের কথা স্মরণ করে দাবি করেন, বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি এটা কোনো স্বাভাবিক কর্মসূচি নয়। লংমার্চের নামে পিকনিক স্টাইলে ছবি তুলে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হচ্ছে।
দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি এও বলেন, সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না।
আওয়ামী লীগকে ফেরাতে অনেকে সক্রিয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, চুক্তি থাকলেও আদানি কখনো বিদ্যুৎ দিচ্ছে, আবার কখনো দিচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে আওয়ামী লীগ অপতৎপরতা ও অসৌজন্যতায় মেতেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিদেশের মাটিতে তারা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খান।











































