বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

আর খুব বেশি দিন নেই, আ.লীগের লোকজনকে আজীবন জেলে থাকতে হবে: ব্যারিস্টার রুমিন

আজকের সেরা সংবাদ : দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন না হলে দেশে ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনের মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ বক্তব্যের পরই রাজনীতিতে নতুন করে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। কোন পথে হাঁটছে দেশের রাজনীতি। এ ওয়ান ইলেভেনের বিষয়টি এখন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে টেলিভিশনের টকশো পর্যন্ত জোর আলোচনা হচ্ছে।

সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে এক টকশোর আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নেন বিএনপির আন্তর্জাতিক সহসম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। টকশোর একপর্যায়ের রুমিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ওবায়দুল কাদের বলেছেন— নির্বাচন না হলে ওয়ান ইলেভেনের মতো ঘটনা ঘটতে পারে, এ বক্তব্যকে কীভাবে দেখেন?

জবাবে ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, দেশে ৬৮টি কারাগার রয়েছে, যার ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৩ হাজার। সেখানে বন্দি ৮৮ হাজার। এটি দেড় মাস আগের রিপোর্ট। বর্তমানে সংখ্যাটি লক্ষাধিক হবে। এর অর্থ দাঁড়ায়— নভেম্বরের শুরুতেই ছিল কারাগারে ধারণাক্ষমতার দ্বিগুণ। এখন আরও বেশি।

আওয়ামী লীগের লোকজন ক্ষমতায় আছে বহুদিন ধরে। এ জন্য তাদের কারাগারে হাঁটতে হয় না তো। হাঁটতে হলে তখন টের পাবেন। ধারণক্ষমতা কত? ভেতরে থাকে কত? আর খুব বেশি দিন নেই কারাগারে যেতে।
একপর্যায়ে রুমিন ফারহানার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এখন আওয়ামী লীগ যা করছে, তাই কি বিএনপি করবে?

জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা কিছু করব না। যেই সরকারই আসুক। গত ১৫ বছরে যে লুটপাট করেছে, যে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, মানুষকে তারা বিচারবহির্ভূত হত্যা করেছে। হেফাজতকে যেভাবে টর্চার করেছে, তারা প্রতিটা খাতকে ধ্বংস করেছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। জাতির কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগের বিচার হবে। আওয়ামী লীগ যারা করেছে, তাদের আজীবন কারাগারে থাকতে হবে। একজনও ছাড় পাবে না।

রুমিন ফারহানা বলেন, হঠাৎ ওবায়দুল কাদের ওয়ান ইলেভেন নিয়ে গা ঝাড়া দিচ্ছেন কেন? ওয়ান ইলেভেন না তাদের আন্দোলনের ফসল। ওয়ান ইলেভেনের একজনেরও বিচার গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ করেনি। কারণ সেই সময় তারা ভারতকে কথা দিয়ে এসেছিল যে, যারা ওয়ান ইলেভেন ঘটিয়েছে, তাদের সেফ এক্সিট দেওয়া হবে। প্রণব মুখার্জির বইটা খুললেই বিস্তারিত জানা যায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির নির্বাচনের ১১ দিন আগে জরুরি অবস্থা জারি হওয়ার পর সেই নির্বাচন আর হয়নি। জরুরি অবস্থা জারির আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারটি ছিল বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে। সেই সময় নানা দাবিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে আন্দোলনে ছিল। বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্ব সেই সময়ের ১৭-দলীয় জোট নির্বাচনের পথে ছিল।

দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষের মধ্যে ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তত্ত্বাবধায়কের প্রধানের পদ ছেড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন ইয়াজউদ্দিন আহমেদ। এর পর শপথ নেয় ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ ৯০ দিন হলেও সেই সরকার ক্ষমতায় থাকে দুই বছর। আর সেই সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভূমিধস জয় পাওয়ার পর রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হওয়ার পর বিএনপি যায় আন্দোলনে আর আওয়ামী লীগ বলছে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার না পেয়ে ২০১৪ সালের মতো এবারও ভোট বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। তবে তাদের দাবি পাত্তা দিচ্ছে না আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার।

সূত্র : যুগান্তর

আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু ভোট লাঙ্গলে দেব

রাজনৈতিক : নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন শীল বলেছেন, আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু ৭ তারিখের নির্বাচনে ভোট লাঙ্গলে দেব। আমার ভোট সেলিম ভাইকে দেব।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) নগরীর ১৪ নং ওয়ার্ডে রেললাইনের পাশে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী সেলিম ওসমানের সমর্থনে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

চন্দন শীল বলেন, সারা বাংলাদেশে ওসমান পরিবার একের পর এক ইতিহাস তৈরি করেছে। এবারও ইতিহাস হয়েছে। আওয়ামী লীগ ২৯৯ আসনে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছে। শুধুমাত্র ওসমান পরিবারের কৃতী সন্তান সেলিম ওসমানের জন্য একটি আসনে কোনো নৌকা মার্কা দেন নাই, খালি রেখেছেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, সেলিম ওসমান জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রার্থী। জননেত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ করার লক্ষে যে পরিকল্পনা করেছেন সেই পরিকল্পনায় সহযোদ্ধা হিসেবে সেলিম ওসমানকে ঘোষণা দিয়েছেন। তাই আমি সেলিম ভাইকে ভোট দেব। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক। তাই আমরা সালাম পাই, সম্মান পাই। অনেকে এ আদর্শের নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অথচ বঙ্গবন্ধুকন্যা যে ঘোষণা দিয়েছেন, তারা তা মানছে না। এটাকে আমরা আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মীরা সহজভাবে নেবো না।

১৪নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মো. শফিউদ্দিন প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী একেএম সেলিম ওসমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত মো শহীদ বাদল (ভিপি বাদল), মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সানাউল্লাহ সানু, মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোদাচ্ছেরুল হক দুলাল প্রমুখ।

বিকেলে গ্রেপ্তার রাতে হাজতে ‘ঝুলন্ত লাশ’

অপরাধ: হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ বলছে, বিকেলে গ্রেপ্তার করে থানাহাজতে নেওয়ার পর রাতে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই যুবক। তবে পরিবারের দাবি, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, উপজেলার নন্দিপাড়া এলাকার মহিউদ্দিনের ছেলে গোলাম রাব্বানীকে (২০) চুরির অভিযোগে মঙ্গলবার বিকেলে তার বাসার সামনে থেকে আটক করে পুলিশ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই মনিরুল ইসলাম। রাত ৮টার দিকে থানাহাজতের ফ্যানের

সঙ্গে পরনের বেল্ট ও গেঞ্জি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তবে রাব্বানীর বড়ভাই মঈন উদ্দিন দাবি করেন, রাব্বানীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের একাধিক চিহ্ন আছে। তিনি বলেন, প্রথমে তার ভাইয়ের বুকে ব্যথা বলে তাদের খবর দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালে গিয়ে তারা রাব্বানীকে মৃত অবস্থায় পান।
এ বিষয়ে বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে অন্তত সাতটি চুরির মামলা আছে। পুলিশের অগোচরে সে আত্মহত্যা করেছে। তার পরিবারের সদস্য ও একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে।’

দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টা জেগে মানুষকে পাহারা দেয় পুলিশ

পুলিশ রাতে ঘুমায় না, দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টা জেগে থেকে মানুষকে পাহারা দেয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর রায়ের বাজার বধ্যভূমি এলাকায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রার্থীদের প্রতি ডিএমপির কোনো নির্দেশনা আছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন, অবশ্যই আছে, নির্বাচন যেন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হতে পারে। সেটির জন্য নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি রিটার্নিং অফিসার প্রতি জেলায় রয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায়ও রয়েছে। এর মধ্যে যেখানে যে ধরনের সমস্যা হচ্ছে, সেটা সমাধানের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থা প্রস্তুত রয়েছে। ৭ তারিখের ভোট সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। এতে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি রয়েছে। এর পাশাপাশি আনসার ও বিজিবিও প্রস্তুত রয়েছে। একপর্যায়ে সেনাবাহিনীও সিভিল প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য মাঠে নামবে।

রাজধানীতে ছিনতাইয়ের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, রাজধানীতে যেসব ছিনতাইপ্রবণ এলাকা আছে, তার মধ্যে মোহাম্মদপুর একটি। কিছুদিন আগে সেখানে একটি ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে পুরো গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া ওই এলাকায় এ ধরনের ঘটনা আর যেন ঘটতে না পারে সে জন্য পুলিশি টহলের পাশাপাশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, পুলিশ রাতে ঘুমায় না। দিনে রাতে ২৪ ঘণ্টা জেগে থাকে। মানুষকে পাহারা দেয়। কোনো চুরি ছিনতাই যাতে কোথাও না হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। এমনকি কোনো দুর্যোগ ঘটলে দ্রুত সময়ে সহযোগিতা করতে পারে সেজন্য জেগে থাকে

নৌকার প্রচারনায় সংসদের যুগ্ম সচিব- অতঃপর

২৪ ডিসেম্বর মুন্সিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং বিগত ২৫ ডিসেম্বর জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত পায়েরখোলা এলাকার নির্বাচনী সমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকাশ্যে নৌকা মার্কার প্রার্থীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন। 

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে নির্বাচনি আচরণ বিধি ভঙ্গের  দায়ে শোকজ দিয়েছেন কুমিল্লা-১১আসনে নির্বাচনি তদন্ত কমিটি।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) কুমিল্লা-১১ আসনের নির্বাচনি তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ  সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। 

নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালানোয় এই শোকজ দেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি তদন্ত কমিটি।

এতে চিঠিতে বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসার কুমিল্লার মাধ্যমে কুমিল্লা-১১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মিজানুর রহমান আপনার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়েরপূর্বক দাবি করেন যে আপনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা হয়েও বিগত ২৪ ডিসেম্বর মুন্সিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং বিগত ২৫ ডিসেম্বর  জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত পায়েরখোলা এলাকার নির্বাচনী সমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকাশ্যে নৌকা মার্কার প্রার্থীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন। এবং আপনার অধীনস্থ কর্মচারী মো. আবুল কাশেম এর মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনপূর্বক চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নৌকা প্রার্থী মো. মুজিবুল হকের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছেন।

এ সংক্রান্ত নিউজ যমুনা টিভির বিগত ২৬ ডিসেম্বর নির্বাচনের সব খবর সংবাদে প্রচারিত হয়, যার ভিডিও ক্লিপ ও স্থিরচিত্র এই অনুসন্ধান কমিটির নিকট সংরক্ষিত রয়েছে, যাতে আপনার সরব উপস্থিতি পরিলক্ষিত করা যাচ্ছে। ওই কার্যাবলীর মাধ্যমে আপনি “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮” এর ১৪(১)(২) এর বিধি লংঘন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হয় ।

এই অবস্থায় নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে কেন আপনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে না সে বিষয়র আগামী ০১ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় নির্বাচনি তদন্ত কমিটির কার্যালয়ে স্বশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্বামীর নামে মিল, বিনা অপরাধে কারাগারে ৪ দিন

সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামির পরিবর্তে রুহী আকতার স্মৃতি নামে নারীকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে তালা থানার সাব-ইন্সপেক্টর মামুন। এ ঘটনায় চারদিন কারাভোগ শেষে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

এর আগে ২৩ ডিসেম্বর বিকেলে রুহী আকতার স্মৃতিকে তার বাসা থেকে আটক করে সাব-ইন্সপেক্টর মামুন। এদিকে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

রুহী আকতার স্মৃতির স্বামীর নাম আরিফুল ইসলাম মালী, বাবা শহর আলী ও মায়ের নাম হালিমা বেগম। অন্যদিকে প্রকৃত আসামি সুমী আক্তারের স্বামীর নামও আরিফুল ইসলাম বিশ্বাস, মায়ের নাম সালমা বেগম।

জানা যায়, তালা উপজেলার বারুইআটি গ্রামের শহর আলীর মেয়ে রুহী আকতার স্মৃতিকে একটি চেক প্রতারণার মামলায় ২৩ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় দিকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে তালা থানার সাব-ইন্সপেক্টর মামুন। গ্রেপ্তারের পর রুহী আকতার স্মৃতিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) কারাগারে থাকা রুহী আকতার স্মৃতির স্বজনরা সাতক্ষীরা আদালত থেকে তাকে জামিনে মুক্ত করে মামলার নথিপত্রে দেখেন, যে মামলায় রুহী আকতার স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই মামলার প্রকৃত আসামি তালা উপজেলার আরিফুল ইসলামের স্ত্রী সুমি আক্তার। সুমি আক্তারের বাড়ি বারুইহাটি গ্রামের বিশ্বাস পাড়ায়।

এ ঘটনায় তালা থানার এসআই মামুন বলেন, গ্রেপ্তার করার সময় বা থানায় এসে তাদের পরিবারের কেউ বলেনি আমি সেই আসামি নই। তালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানও এসেছিলেন তিনিও বলেননি। এখন শুনছি গ্রেপ্তার করা আসামি প্রকৃত আসামি নয়।

গ্রেপ্তার হওয়া নারীর শ্বশুর আব্দুল কাদের মালী জানান, আমরা বারবার বলেছি পুলিশকে সে কোনো এনজিও থেকে লোন নেয়নি। সে কোনো অপরাধী নয়। তবুও বৌমাকে ভাত খাওয়া অবস্থায় ধরে নিয়ে যায়। চারদিন সে বিনা অপরাধে জেল খেটেছে।

মামলার বাদী বেসরকারি এনজিও সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন তালা শাখার ম্যানেজার সৈয়দ ইমারন আলী বলেন, আমি মাত্র এক মাস আগে এই শাখায় যোগদান করেছি। কাগজপত্র না দেখে বিস্তারিত বলতে পারছি না।

এ ঘটনায় তালা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মোমিনুল ইসলাম জানান, দুইটা চেক প্রতারণার মামলায় তাকে আটক করা হয়। চেয়ারম্যান জাকিরও থানায় এসেছিল। তখন তিনিও তো বলেননি। তাছাড়া তাদের পরিবারের কেউ বিষয়টি জানায়নি। ঘটনাটি আমরা জানার পর বিস্তারিত খোঁজ খবর নিচ্ছি।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি আব্দুল লতিফ বলেন, এমন ভুল কীভাবে হয়েছে জানি না। যে নামে ওয়ারেন্ট থাকবে পুলিশ সেই নামের ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করবেন। এর বাইরে কিছু হওয়ার সুযোগ নেই।

সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি জানা মাত্র তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনেক সময় নামের মিল থাকে সেক্ষেত্রে হতে পারে তবে বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা হবে। যদি পুলিশের কেউ কিংবা অন্য কেউ হয়রানিমূলকভাবে এটি করে থাকে সেটা প্রমাণিত হয় তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মহাসমাবেশ ইস্যুতে হেফাজতে ইসলামের বিবৃতি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ডাকা ২৯ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ স্থগিত করার সিদ্ধান্তের পর কিছু গণমাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ হওয়াতে বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ডাকা ২৯ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে গতকাল কিছু গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রচারিত হয়েছে যে, এ সিদ্ধান্ত আমার অবগতি বা অনুমোদন ব্যতীত গৃহীত হয়েছে।

এই ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এমন অমূলক এবং বাস্তবতা বিবর্জিত সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচার হওয়া খুবই দুঃখজনক। অনুমানের ভিত্তিতে এমন অসত্য তথ্য প্রকাশ করা চরম বিভ্রান্তিকরও বটে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন-পূর্ব দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৯ তারিখের মহাসমাবেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আমার নির্বাহী অনুমোদনের মাধ্যমেই নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের যেই বৈঠকে মহাসমাবেশ স্থগিত করার প্রস্তাবনা তুলা হয় সেই বৈঠকের ব্যাপারে আমি পূর্ণ অবগত ছিলাম। পরবর্তীতে মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান কর্তৃক আমার অনুমোদনের ভিত্তিতেই মহাসমাবেশ স্থগিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সকল সিদ্ধান্ত সংগঠনের নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দায়িত্বশীলদের পরামর্শক্রমেই গৃহীত হয়ে থাকে। এ নিয়ে অমূলক বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো অবকাশ নেই।

হেফাজতের আমির বলেন, অনতিবিলম্বে বিনাশর্তে মাওলানা মামুনুল হকসহ সকল কারাবন্দি আলেমদের মুক্তি দিতে হবে। ২০১৩ সাল থেকে হেফাজতের নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। খুব শীঘ্রই হেফাজতের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে পরামর্শের ভিত্তিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ভাগ-বাটোয়ারার নির্বাচন জমছে না দেখে দিশেহারা প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচন কমিশনারদের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আপনাদের মতো দুদিনের দলদাসদের রক্তচক্ষু দেখার জন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। এই একদলীয় ভোট জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। ভয়ভীতি-কেরামতি যাই করেন, কেন্দ্রে কোনো ভোটার পাবেন না। এই ফলাফল ঘোষণার নির্বাচনের বিরুদ্ধে সারাদেশ আজ ঐক্যবদ্ধ।

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘৭ জানুয়ারির আসন ভাগ-বাটোয়ারার ‘আমি-ডামির’ ভোট প্রহসন জমছে না দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী ও তার ডামি নির্বাচন কমিশন। গোটা দেশকে অভাবনীয় নরকপুরীতে পরিণত করেছে। পুরো বাংলাদেশকে জেলখানা বানানো হয়েছে। জেলের ভেতরে যাদের নিক্ষেপ করা হয়েছে তাদের তিলে তিলে নির্যাতন করে হত্যা করা হচ্ছে।’

‘একদিকে নৌকার প্রার্থী ও তাদের প্রচারকরা হুমকি দিচ্ছেন ভোটকেন্দ্রে না গেলে বাড়িছাড়া করা হবে, অপরদিকে নির্বাচন কমিশনাররা জেল-জরিমানার হুমকি দিচ্ছেন। কেউ ভোট প্রতিহত করার চেষ্টা করলে সাত বছরের জেল হবে, অর্থদণ্ড হবে। ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য লিফলেট বিতরণ করলে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। ইসি মো. আনিছুর রহমানের ঔদ্ধত্য এবং হুমকি-হুংকার দেখে মনে হচ্ছে তিনি অস্তিত্ব ভুলে আওয়ামী সেবাদাসত্ব করছেন। প্রতিদিন গণভবন থেকে আসা ফরমান ঘোষণা করছেন-’ বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘দেড় দশক ধরে জগদ্দল পাথরের মতো বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপে বসা দৈত্যের পতন এবং একতরফা পাতানো নির্বাচনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ১৮ কোটি জনগণকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গলির গুন্ডাদের মতো শাসাচ্ছেন। বিএনপিকে শায়েস্তা করার হুমকি দিচ্ছেন আনিছুর রহমানরা। পুলিশকে লেলিয়ে দিচ্ছেন। বাংলাদেশের নাগরিকদের গোলাম ভাবা শুরু করেছেন।’

এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গোলামির পরীক্ষায় শ্রেষ্ঠত্ব পাওয়ার কোটায় নির্বাচন কমিশনার হওয়া এই ব্যক্তির জেনে রাখা উচিত দেশের সংবিধানে ভোট দেওয়াও যেমন মানুষের অধিকার, তেমনি ভোট না দেওয়াও মানুষের মৌলিক অধিকার। ভোট দেওয়ার জন্য কাউকে বাধ্য করা যাবে না। কিন্তু প্রতিটি জনপদে নৌকা এবং ডামির প্রার্থীরা ভোট দিতে না গেলে জনগণকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে নীরব এই আনিছুররা। ৭ তারিখে যারা ভোটকেন্দ্রে যাবে না তাদের গায়েবি নাশকতার মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। আনিছুরদের মতো আওয়ামী দলদাসদের বলে রাখি, অবৈধ নির্বাচনকে না বলার অধিকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

রিজভী দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের ১৯৫ জনের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আট মামলায় ৭৮৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এসময়ে ২০ জন নেতাকর্মী আহত এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেন রিজভী।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, সিইসিকে সৈয়দ ইবরাহিমের চিঠি

আসছে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কক্সবাজার-১ আসনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সরকার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

চিঠিতে তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার-১ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম বিগত পাঁচ বছরে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলাকে তার মদদপুষ্ট অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রমে পরিণত করেছেন। তিনি সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক দলীয় পদে বসিয়েছেন এবং সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তাদেরকে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন।

সৈয়দ ইবরাহিম উল্লেখ করেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাফর আলমকে ভোট দেয়ার জন্য তার মদদপুষ্ট জনপ্রতিনিধি (ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান) ও দলীয় রাজনৈতিক পদধারী সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে আমার কর্মী ও সমর্থকদের নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি প্রদান করছে। এসব সন্ত্রাসীরাই আবার আমার ও দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং অভিযোগ করছে।

এতে আমার ও আমার দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি নামধারী অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে।

চিঠির সঙ্গে সৈয়দ ইবরাহিম উল্লিখিত সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা সংযুক্ত করেন। সেইসাথে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সিইসিকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

নির্বাচন সাজানো-পাতানো, ইইউকে ‌তথ্যপ্রমাণ দিয়েছে বিএনপি

আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ ৭ জানুয়ারি যে ভোট হতে যাচ্ছে তাকে সাজানো ও পাতানো নির্বাচন বলে উল্লেখ করেছে বিএনপি। দলটি বলছে, ওই দিন কোনো নির্বাচন হচ্ছে না, যা হচ্ছে সেটা কেবলই নাটক।

বাংলাদেশ সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে আজ বুধবার ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল এ কথা জানান।

বৈঠক সূত্র বলছে, তাঁরা ইইউকে এই দাবির স্বপক্ষে বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ দিয়েছেন। বৈঠকে বিএনপির ছয় নেতা ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিএনপি ইইউকে বলেছে, এই নির্বাচনে প্রধান প্রধান বিরোধী দলগুলো অংশ নিচ্ছে না। এখানে মূলত আওয়ামী লীগ, তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ডামি প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি কয়েকটি দল সরকারের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে ভোটে অংশ নিচ্ছেন।

বৈঠকে বিএনপির পক্ষে নেতৃত্ব দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইইউ প্রতিনিধিদলে ছিলেন রেবেকা কক্স ও শার্লোট সুয়েবেস।

প্রসঙ্গত, ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিএনপির এটি দ্বিতীয় বৈঠক।

সর্বশেষ আপডেট...

সর্বাধিক পঠিত...