
মায়েদের শরীরে পুষ্টির অভাবে বাচ্চারা পুষ্টি পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে শিশুদের ব্রেস্টফিডিং কম হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেছেন, বিভিন্ন কারণে বাচ্চারা পুষ্টি নিয়ে বেড়ে উঠতে পারছে না। ফলে টিকা নেওয়ার বয়স হওয়ার আগেই শিশুদের হাম আক্রমণ করছে। সিজারিয়ান বাচ্চাদের মায়ের শাল দুধ খাওয়ানো হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
আজ শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গ্যাভি দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, ইউনিসেফ এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) নিজেরাই বলেছে, ইতিহাসে এত স্বল্প সময়ে এত বিশাল একটা জনসংখ্যার জন্য এত তড়িৎ গতিতে এত প্রচুর ভ্যাকসিন আর কোনও দেশ জোগাড় করতে পারেনি, যেটা আমরা করেছি। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, একটা ভেন্টিলেটরও বিগত সরকার রেখে যায় নাই, আমাদের হাতে একটা হামের ভ্যাকসিন রেখে যায় নাই। শূন্য হাতে যাত্রা করেছি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ওনার নির্দেশ মতো আমরা প্রত্যেকটা জায়গায় ভেন্টিলেটর দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামী মঙ্গলবার (১৯ মে) আমরা আরও ১০টি আইসিইউ ইউনিট খুলছি ১০টি জেলায় এবং এটা সহ প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা ১২টি ভেন্টিলেটর এবং প্রত্যেক জায়গায় একটি করে, মানে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর দিচ্ছি। যাতে করে আরও বেশি সেবা দেওয়া যায়।
মন্ত্রী বলেন, বাচ্চাদেরকে আমাদের দেশে বা আন্তর্জাতিকভাবে অ্যাভেইলেবল এমন কোনও চিকিৎসা নেই, যেটা আমরা করছি না। কিন্তু পুষ্টির অভাব একটা বিরাট কারণ। এখন আমরা অতীতের সমালোচনা করতে চাই না, কিন্তু আপনার এই বাচ্চাদেরকে প্রত্যেক বছর দুইবার করে ভিটামিন এ দেওয়ার কথা, ২০২৪ সালে সর্বশেষ দেওয়া হয়েছে একবার। ২০২৫ সালে কোনও ভিটামিন এ প্রচারণা হয় নাই, আমরা এখন শুরু করেছি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী জুনের ১০ তারিখের মধ্যে আমরা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ইউনিসেফের কাছ থেকে পাচ্ছি এবং দেশব্যাপী আমরা এটা করে যাবো। আমারও তো হাম হয়েছে। আগের দিন হামকে ঘামাচির বড় ভাই বলতো গ্রামের মানুষ। এখন কিন্তু হামটা অন্যরূপে এসেছে।













































