
স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যা করে মৃতদেহ গোপন করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একটি ‘চিরকুট’ বা নোট থেকেই রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে ভারতের সুরাট শহরে। পুলিশ জানায়, ৪০ বছর বয়সী বিশাল সালভি গত সপ্তাহে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী নিখোঁজ। ৩৯ বছর বয়সী শিল্পা সালভি পেশায় একজন ডায়েটিশিয়ান ছিলেন এবং স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। তবে নিখোঁজের অভিযোগ করার দুই দিন পরই বিশাল নিজেও হঠাৎ উধাও হয়ে যান।
এরপর তাদের ছেলে একটি চিরকুট খুঁজে পায় এবং সেটি পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সেখানে লেখা ছিল, তিনি ‘একটি অপরাধ করেছেন’ এবং তার স্ত্রীর মরদেহ রয়েছে পূর্বপুরুষদের বাড়িতে। পুলিশ ওই সূত্র ধরে সুরাটের সালাবাতপুরা এলাকায় পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে যায়। সেখানে একটি কাঠের বাক্সের ভেতর থেকে সিমেন্ট ও ফোমের মিশ্রণে ঢেকে রাখা অবস্থায় শিল্পার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ২০১০ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং তাদের দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহ ও পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল।
চিরকুটে বিশাল স্বীকার করেন, ‘আমি একাই এই অপরাধ করেছি।’ পুলিশ পরে শহরের উপকণ্ঠ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় চার থেকে পাঁচ দিন আগে হত্যা করে মরদেহটি গোপন করা হয়েছিল। পুরো ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।









































