
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে জমা দিতে হবে।
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরের পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাই করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ইসি। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে আজ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলের ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। মনিরা ছাড়া বাকি ১২ জনের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘মনিরা শারমিন যে কাগজপত্র দিয়েছে, তাতে সরকারি পে স্কেলের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ জন্য তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হয়েছে।’
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সরকারি চাকরি ছাড়ার ৩ বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা এই পদে বহাল থাকার সুযোগ নেই। এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। বছরখানেক চাকরি করার পর গত বছরের (২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
এ বিষয়ে মনিরা শারমিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এনসিপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘চাকরি স্থায়ী হওয়ার আগেই মনিরা শারমিন কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে ৩ বছরের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়।’ শুধু মাত্র এই একটি যুক্তি (চাকরি স্থায়ী হওয়ার আগেই পদত্যাগ) গ্রহণযোগ্য হলে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হওয়ার দৌঁড়ে টিকে যাবেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন।
অপরদিকে, এনসিপির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের পরে নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র দেওয়া হলেও তা আর আমলে নেয়নি রিটার্নিং অফিসার।
উল্লেখ্য, সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নের বিষয়ে ইসিতে আপিল দায়েরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।











































