
আমিরে জামায়াতের এই সেক্রিফাইস স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর স্ত্রী পূর্বে এমপি ছিলেন, যথেষ্ট যোগ্য ও বিচক্ষণ, কিন্তু পরিবারতন্ত্রের দুয়ার রুদ্ধ রাখতে এবার সংরক্ষিত আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেননি। অথচ দিলে সংগঠনের কেউ কোনো আপত্তি করার ন্যূনতম কারণও ছিল না, তাছাড়া অভিজ্ঞতার বিকল্প কিছু হয় না। ব্যরিস্টার আরমানের বোনও অত্যন্ত যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমনকি প্রচুর আলোচনায় থাকা সত্ত্বেও তাকেও দেননি।
উপরন্তু নিজেদের তিনটি আসনও শরিকদের ছেড়ে দিয়েছেন। বিশেষত এনসিপি এমনিও সংরক্ষিত আসনে একজন নারী এমপি পেয়েছে; এরপরও মাহমুদা মিতুর জন্য জামায়াত আলাদা করে সেক্রিফাইস করেছে। রাশেদ প্রধানের বোন এবং মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের দলের এক প্রকৌশলী নারীর জন্যও করেছে।
যদিও দুঃখজনক হল, যতই ত্যাগ করুক না কেন; দিনশেষে সব বাজে কথা এই দলেরই শোনা লাগে। যেমন, ই রা নের প্রতিনিধিও সম্প্রতি প্রকাশ্যেই জানিয়েছে, চলমান সংকটে আ *মে /রি (কার বিরুদ্ধে এবং তাদের পক্ষে একমাত্র আমিরে জামায়াতই প্রকাশ্যে ও একান্তে উভয়ভাবেই সুস্পষ্ট বিবৃতি ও সহমর্মিতা জানিয়েছেন;
যে সাহস প্রধানমন্ত্রীও করেননি। অথচ জর্দা খেয়ে পাগল হওয়া কিছু লোক বরাবরই দলটাকে আ *মে /রি (কার দালাল হিসেবে ট্যাগ দিয়ে যাচ্ছে; যদিও পাগলরা বোঝে না, দালাল যদি হতই, নিজেদের নিশ্চিত আসনগুলোও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিকার হয়ে হাতছাড়া করা লাগত না এবং ক্ষমতায় না গিয়ে বিরোধী দল হওয়া লাগত না। ঘুমের ভান ধরে থাকা লোকদের বোঝানোর কী উপায়!
সূত্র: আলি হাসানের ফেসবুক থেকে













































