প্রচ্ছদ জাতীয় হাফেজদের হাতে সমকামিতার বই: সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি

হাফেজদের হাতে সমকামিতার বই: সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি

সম্প্রতি কুরআনের বিশ্ববিজয়ী হাফেজ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সমকামী লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারি নেক্সাস বই তুলে দেয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক বিবৃতিতে বলেন, মুসলিম-প্রধান বাংলাদেশের কোমলমতিদের হাতে এমন কোনো বই তুলে দেয়া, যা সমকামিতাকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

কুরআনের হাফেজদের সম্মাননার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কোমলমতি হাফেজ শিক্ষার্থীদের হাতে সমকামিতা-বিষয়ক বই তুলে দেয়ার ঘটনাকে নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একজন প্রকাশ্য সমকামী লেখকের বই কীভাবে এবং কার মাধ্যমে হাফেজদের হাতে পৌঁছাল, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনা ছিল কি-না, তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।সরকারি নীতি পড়ুন

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ : বিশ্বজয়ী হাফেজে কুরআনদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে বিতর্কিত ও ইসলামবিরোধী লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা ‘নেক্সাস’ বইটি উপহার হিসেবে প্রদান এবং সংবিধান প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান।

গতকাল শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে শীর্ষ দুই হেফাজত নেতা বলেন, ‘৯৫ শতাংশ মুসলমানের দেশে বিশ্বজয়ী কুরআনের হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’ কিন্তু এমন একটি পবিত্র ও গৌরবোজ্জ্বল অনুষ্ঠানে ইসলামী আকিদা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতাবিরোধী মানসিকতার লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির বই উপহার হিসেবে প্রদান অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও মুসলমানদের ঈমানি অনুভূতিতে চরম আঘাত। নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, ‘পবিত্র কুরআনে সমকামিতাকে ঘোরতর অপরাধ ও সীমালঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ উক্ত লেখকের চিন্তাধারা ও বইয়ের বিষয়বস্তু ইসলামী আকাইদ ও আখলাকের পুরোপুরি সাংঘর্ষিক।’ প্রধানমন্ত্রীর অগোচরে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অবহেলা বা কোনো ষড়যন্ত্রের কারণে এটি ঘটেছে কি-না, তা অবিলম্বে তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। আমরা দাবি জানাচ্ছি, হাফেজদের হাত থেকে উক্ত বই অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সেখানে উপযুক্ত ইসলামী ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ প্রদান করা হোক এবং ভবিষ্যতে সরকারি ও ইসলামিক অনুষ্ঠানে বই বা উপহার নির্বাচনের জন্য একটি দায়িত্বশীল স্ক্রিনিং কমিটি গঠন করা হোক।ইতিহাসের বই পড়ুন

বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃদ্বয় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্যÑ ‘কুরআনের আলোকে সংবিধান রচনা করা যেতে পারে, কিন্তু কুরআনকে সংবিধান হিসেবে মানা উচিত হবে না’Ñ এর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্য মুসলমানদের ঈমান-আকিদার ওপর মারাত্মক আঘাতস্বরূপ। পবিত্র কুরআন কোনো মানুষের রচিত সাময়িক আইনপত্র নয়; এটি বিশ্বজাহানের প্রতিপালক মহান আল্লাহর নাজিলকৃত অনাদি ও চূড়ান্ত সংবিধান। মানুষের রচিত সংবিধান পরিবর্তনশীল ও সংশোধনযোগ্য হলেও আল্লাহর কালাম অপরিবর্তনীয় ও চিরন্তন সত্য।’ তারা আরো বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তির অবস্থান থেকে পবিত্র কুরআনের মর্যাদা ও বিধান নিয়ে এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা আইনমন্ত্রীকে অবিলম্বে এ বিষয়ে জাতির সামনে নিজ অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য প্রত্যাহার এবং তওবা করার আহ্বান জানাচ্ছি। ঈমান, ইসলামী ঐতিহ্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত হানে এমন যেকোনো আচরণের বিরুদ্ধে দেশের তাওহিদী জনতা সর্বদা সোচ্চার থাকবে।

আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ : বিতর্কিত লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা বইটি উপহার হিসেবে প্রদান করায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ। এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির বিভিন্ন লেখা ও বক্তব্য ইসলামী আকিদা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৈতিকতার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। পবিত্র কুরআনে সমকামিতাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও সীমালঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এই লেখকের বই কুরআনের হাফেজদের উপহার হিসেবে নির্বাচন করা মোটেও যথাযথ হয়নি। এটি প্রধানমন্ত্রীর অগোচরে হয়ে থাকলেও এর পেছনে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি ছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করে সংগঠনটি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের যেসব কর্মকর্তা বইটি নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের ভূমিকা যাচাই করে তদন্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিতরণকৃত বইটি প্রত্যাহার করে হাফেজদের উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ইসলামী ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ উপহার হিসেবে দিতে হবে। তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে সরকারি ইসলামিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মাননায় উপহার বা প্রকাশনা নির্বাচনের জন্য স্ক্রিনিং ব্যবস্থা বা বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। চতুর্থত, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও জনগণের অনুভূতির বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স : সম্প্রতি কুরআনের হাফেজ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সমকামী লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারি নেক্সাস বই তুলে দেয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। গতকাল শনিবার ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী ও সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান এক বিবৃতিতে বলেন, কুরআনের হাফেজদের সম্মাননার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কোমলমতি হাফেজ শিক্ষার্থীদের হাতে সমকামিতা-বিষয়ক বই তুলে দেয়ার ঘটনাকে নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একজন প্রকাশ্য সমকামী লেখকের বই কীভাবে এবং কার মাধ্যমে হাফেজদের হাতে পৌঁছাল, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনা ছিল কি-না, তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিসরে এলজিবিটি ও সমকামিতাকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের প্রচার, প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাদরাসা ও স্কুলের শিশু-কিশোরদের হাতে কী ধরনের বই ও উপকরণ তুলে দেয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরো সতর্ক থাকা প্রয়োজন।আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জানুন

আন্তর্জাতিক আকিদা খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ : বিশ্বজয়ী হাফেজদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সমকামী ইউভাল নোয়াহ হারারির বই উপহার হিসেবে দেয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক আকিদা খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের আমির ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা সাইফুল ইসলাম ফরিদী। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কুরআনের হাফেজদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে এমন কোনো বই উপহার দেয়া অনভিপ্রেত, যার লেখকের (সমকামী) ধর্ম, ঈমান, ¯্রষ্টা ও ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পর্কে বিতর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে বলে সমালোচনা রয়েছে।

ইসলামী ঐক্যজোট : ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব সম্প্রতি বিশ্ববিজয়ী কোরআনে হাফেজদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে সমকামি লেখকের বই নেক্সাস হাফেজদের মাঝে উপহার দেয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পবিত্র কোরআনে সমকামীদের লানত সম্পর্কে আল্লাহ আয়াত নাজিল করেছেন। সেই বিতর্কিত সমকামী লেখকের বই কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে হাফেজদের হাতে তুলে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদরাসায় পড়–য়া হাফেজ ছাত্রছাত্রীদের হাতে সমকামী লেখকের বই তুলে দেয়ার মাধ্যমে গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে। ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক মুরদাতদের দোসররাই সমকামী লেখকের বই নির্বাচিত করে বিতরণের উদ্যোগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাব-মর্যাদা ক্ষুণœ করার হীনতৎপরতা চালিয়েছে কি-না, তা খতিয়ে দেখাতে হবে।

জাতীয় তাফসির পরিষদ বাংলাদেশ : বিশ্বজয়ী পবিত্র কুরআনের হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত উপহার সমকামী বই ‘নেক্সাস’ প্রদান করে ৯২ ভাগ মুসলমানের হৃদয়ে চরম আঘাত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় তাফসির পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মহাসচিব হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল মুফতি বাকি বিল্লাহ, হাফেজ মাওলানা নাযীর আহমদ শিবলী, মুফতি ওমর ফারুক যুক্তিবাদী, মাওলানা জালাল হোসাইন চাঁদপুরী। এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সমকামীরা অভিশপ্ত এবং এর প্রমোটকারীরাও অভিশপ্ত। যে অঞ্চলে সমকামিতা ছিল সেই অঞ্চল আল্লাহপাক ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। তারা বলেন, শেষ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের একটি বিতর্কিত কাজ কীভাবে করলেন, কারা তাকে দিয়ে ইসলামবিরোধী এ কাজটি করালেন? তা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী কী তাহলে সমকামিতাকে প্রমোট করলেন? নেতৃবৃন্দ বলেন, কথাবার্তা পরিষ্কার। এলজিটিবির নামে সমকামিতাকে প্রমোট করার যেকোনো চক্রান্ত হলে ঈমানদার জনতা ঈমানের তাগিদেই রাজপথে নেমে এলে সরকারের জন্য সুখকর হবে না।ইতিহাসের বই পড়ুন

ইসলামিক বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট : ইসলামিক বুদ্ধিজীবী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান শাহসুফী ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী বলেন, সমকামীর লেখকের এই বিতর্কিত বই সরবরাহ কে করেছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনার নামে সমকামীদের প্রমোট করার এ ধরনের গর্হিত কাজ কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, বিশ্বজয়ী হাফেজদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেয়ার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক সরকারপ্রধান তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সংবর্ধিত করেছেন সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। তবে আক্ষেপের বিষয় হলো, তাদের হাতে যে বই তুলে দেয়া হয়েছে সেখানে একজন সমকামী লেখকের একটি বই যুক্ত করা হয়েছে। নেক্সাস নামের এই বইয়ে ইসলামকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে, সমকামিতাকে স্বাভাবিক করে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি জাতির জন্য লজ্জাজনক। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, এই কাজ ভুলবশত হয়েছে। সেজন্য সরকারকে আনুষ্ঠানিক ভুল স্বীকার করতে হবে। গতকাল শনিবার খুলনায় অনুষ্ঠিত খুলনা বিভাগীয় তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশামাফিক সংস্কারেও সরকারের সদিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধ।

খুলনা বিভাগীয় তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আব্দুল জলিল।