
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জনবল একই আছে, আইন কানুন একই আছে, শুধু লোক বদলিয়েছে, এক ব্যক্তির জায়গায় আরেক ব্যক্তি এসেছে। দেশের কোনো পরিবর্তন হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, কীভাবে র্যাবের বিলুপ্তির কথা বলে তারা র্যাবকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নে (এসআরবি) পরিণত করেছে।
আজ (শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল নগর জলফৈ বাইপাসে ১১দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পথসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘সমানে আমাদের কঠিন লড়াই। আমরা এক স্বৈরাচার হটিয়েছি, নতুন এক স্বৈরাচার গজিয়ে উঠেছে বাংলাদেশে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন গত সাত মাসে কীভাবে প্রতি পদে পদে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। জনগণের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট দিয়েছিলো। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিলো। কথা ছিলো দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস, বৈষম্য ও দখলদারিত্ব থাকবে না। কিন্তু সবই রয়ে গেছে।’
১৮ কোটি মানুষের লড়াইয়ের আওয়াজ নিয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি: শফিকুর রহমান
তিনি আরও বলেন, ‘তারা বলেছিলো ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান করবে। কিন্তু তারা কর্মসংস্থান কেড়ে নিচ্ছে সাধারণ মানুষের; আর কর্মসংস্থান হচ্ছে ছাত্রদল, যুবদল ও শ্রমিক দলের। আমরা এরকম বাংলাদেশ হতে দেবো না।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আবু সাঈদের রক্তের প্রতি, টাঙ্গাইলের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা। টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানীর উত্তরসূরি আমরা। বাংলাদেশের জন্য লড়াই করে যাচ্ছি। মাওলানা ভাসানী বলেছিলেন, দিল্লির আধিপত্যের বিরুদ্ধে এ বাংলা, আসাম, পশ্চিমবাংলা, ত্রিপুরা লড়াই করবে। সমগ্র বাংলা এক হয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আমরা সেই লড়াই এখনো জারি রাখতে চাই। এমন দেশের অভ্যন্তরে যে নতুন স্বৈরাচার, সেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম। আপনারা সবাই সঙ্গে আছেন তো, ইনশাল্লাহ? আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আছি।’
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ।












































