বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ ছাত্রদল সভাপতির

মর্যাদাপূর্ণ ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এই হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন তিনি। ছাত্রদল সভাপতি লেখেন, ‘ইতালির ভেনিসে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

যোগ করে তিনি আরও বলেন, ‘একজন নারী তথা জুলাই যোদ্ধাকে বিদেশের মাটিতে একা পেয়ে এ ধরনের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে, ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদের সামান্যতম অনুশোচনা হয়নি। সেহেতু এ সন্ত্রাসীদের জন্য আমাদের মনেও কখনও সামান্যতম সহানুভূতি জাগ্রত হবে না। কঠোর হাতে দমন করা হবে, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে।’

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় অবিস্থিত একটি পার্কে ভাই ও ভাগ্নেকে নিয়ে হাঁটতে গেলে এই হামলার শিকার হন আজমেরী হক বাঁধন। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলটির নেতাকর্মীরা এই অভিনেত্রীর গায়ে হাত তোলছেন। শুধু তাই নয়, সেসময় কোক-পানি ছুঁড়ে মারা হয় তাঁর গায়ে। এমনকি জোরপূর্বক নানা কথা বলিয়ে, আক্রমণকারীরা সেসবের ভিডিও ধারণ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইতিহাসে প্রথমবার ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশি সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। গত ৬ সেপ্টেম্বর সালা দারসেনা থিয়েটারে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত এই সিনেমার প্রিমিয়ার হয়। আর সেই আয়োজনে যোগ দিতেই সম্প্রতি ভেনিসের উদ্দেশে উড়াল দেন সিনেমাটির মুখ্য চার নারী চরিত্র—জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন।

নতুন দুই দায়িত্ব পেলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি কার্যপ্রণালি-বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ও পিটিশন @কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি অনুসরণ করে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়।

এদিন সংসদ-নেতার অনুমতিক্রমে তাঁর পক্ষে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি কমিটিগুলোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার পিটিশন কমিটি গঠন করেন।

কার্যপ্রণালি-বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধির ২৬৪ বিধি অনুযায়ী ১২ সদস্যের কার্যপ্রণালি-বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমকে।

কমিটির সদস্যরা হলেন—ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম মনি, মো. আসাদুজ্জামান, এ. এম. মাহবুব উদ্দিন, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সাকিলা ফারজানা, সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও আখতার হোসেন।

সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধির ২৩১ ও ২৩২ বিধি অনুযায়ী নাগরিকদের পিটিশন পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের জন্য ১০ সদস্যের পিটিশন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতিও হয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

কমিটির সদস্যরা হলেন—ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নূরুল ইসলাম মনি, এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), রকিবুল ইসলাম, এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, নাহিদ ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলাম খান।

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করবে না ভারত, ঢাকাকে জানানো হয়েছে

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ না করার সিদ্ধান্তের কথা ঢাকাকে জানিয়েছে ভারত—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে গ্রেপ্তার হলে তাঁর নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্যও ঢাকার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় এক মাস আগে ভারতের একটি উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা এবং এ বিষয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়।

ভারতীয় প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ধরনের অসম্মানজনক আচরণ করা উচিত নয়। তিনি দেশে ফিরে আটক হলে তাঁর নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের সরকারকে আরও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ভারত কোনো অবস্থাতেই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণ করবে না। তবে শেখ হাসিনা কবে এবং কীভাবে দেশে ফিরবেন, সে বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মনে করছেন।

এর আগে শেখ হাসিনা নিজেও আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাঁকে হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা ও বিচারপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের অনুরোধও করা হয়েছে।

এদিকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার কয়েকজন সন্দেহভাজন সদস্যের উপস্থিতি নিয়েও উদ্বিগ্ন বলে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন আগে কাশ্মীরে সক্রিয় ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে নতুন এই দাবি সামনে এলো। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ না করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

‘কীসের আবার বাচ্চা’, ইতালির পার্কে যেভাবে বাঁধনকে হেনস্থা

ইতালিতে জনপ্রিয় বাংলাদেশি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা শিশুর কথা বলে আকুতি জানালেও আক্রমণকারীকে বলতে শোনা যায়, ‘কীসের আবার বাচ্চা, ওকে জয় বাংলা বলতে হবে।’

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজের ফেসবুকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা হাওলাদার মনিরুলের একটি ভিডিও শেয়ার করেন বাঁধন। ভিডিওতে দেখা যায় বাঁধনকে দেশদ্রোহী, জঙ্গি আখ্যা দিয়ে তার ওপর ডিম নিক্ষেপ করতে বলছেন আক্রমণকারীরা।

ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্থার সেই ভিডিওতে দেখা যায়, আক্রমণকারীরা বাঁধনের গায়ে হাত তুলছে আর বলছে, এরা জুলাই জঙ্গি। এরাই দেশটাকে ধ্বংস করেছে। এরা যেখানেই থাকুক, তাদেরকে আমরা উচিত শিক্ষা দিব।

জানা যায়, ইতালির ভেনিসে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমা নিয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে তার ভাই ও ভাইয়ের পরিবারের সাথে সেখানে গেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

উল্লেখ্য, ইতিহাস গড়ে ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতামূলক ‘অরিজন্তি’ বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ২টায়, বাংলাদেশ সময় ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় সালা দারসেনা থিয়েটারে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়।

সিনেমাটির মুখ্য চার নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুবাইয়াত হোসেন।

মেঘমল্লার বসুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করলেন শিবির নেতা এস এম ফরহাদ

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা ও জাতীয় পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)-এর কেন্দ্রীয় ও কাউন্সিল সদস্য মেঘমল্লার বসুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মাধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার পাকস্থলী ওয়াশের পর তিনি শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ফেসবুকে সুইসাইড নোট দেখার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে শিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি দ্য বলেন, ‘মেঘমল্লার বসু দাদার পোস্ট দেখেই ফেসবুকে খোঁজ নেওয়া শুরু করি। সম্ভাব্য সব জায়গায় কথা বলেও তার সন্ধান পাচ্ছিলাম না। তবে পরে জানতে পারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে তাকে পাওয়া গেছে।’

সেখান থেকে দ্রুত তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসায় অনীহা প্রকাশ করা হয়। পরে সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পাকস্থলী ওয়াশ করেন চিকিৎসক। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তিনি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।’

এর আগে ফেসবুকে একটি সুইসাইড নোট পোস্ট করেছেন মেঘমল্লার বসু। এতে তিনি লিখেছেন, ‘জীবনটা একটা বৃত্তের মতো। অনেক ঘুরে, অনেক কিছু করে নিজেকে আবার শুন্যে আবিষ্কার করার মতো। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, দুইটা আলাদা আলাদা টাইম স্প্যানের যেকোনো একটা সময় মরে গেলে খুব ভালো হইত। একটা ২০২০ সালের গোঁড়ায়, আমার শেষ বাংলা বিতর্কের দিন, গভর্মেন্ট সাইন্স কলেজের ফাইনালটার পরে। আরেকটা মনে হয় গত বছর এরকম একটা সময়। ডাকসু নির্বাচনের পর। দুইটা সময়ই আমি অনেক পূর্ণ ছিলাম। যখন মানুষ পূর্ণ থাকে তখন সে ভুলে যায় শুন্যতাই তার নিয়তি।’

আরও লিখেছেন, ‘আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে হতাশা আর অপরাধবোধ ছাড়া আমার আর কিছুই নাই। আমি সবচেয়ে বড় অপরাধ করছি আমার মা’র সাথে। আমি জানি তার আর কেউ নাই। অথচ তাও আমি এই পথ বেছে নিচ্ছি। কী করব!

কোনোভাবেই তো এই চক্র থেকে বের হতে পারছি না। আর কত দিন সম্ভব? আমি জানি আপনারা আমার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আছেন। আপনারা পারলে আমার মাকে একটু বাঁচায়ে রাইখেন। মিশু ভাই, নূর আপু, আরাফাত ভাই, উৎপল দা, নিমাই কাকু এরা সবাই মিলে কত চেষ্টা করল আমারে বাঁচায়ে রাখার। আমি সবাইকে ব্যর্থ করে দিয়ে যাচ্ছি।’

মেঘমল্লার লিখেছেন, ‘আপনাদের সবার প্রতি একটা একান্ত অনুরোধ হল আমার প্রাক্তন প্রেমিকা চূড়াকে যেন কোনোভাবেই আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা না হয়। আমাকে জীবনে কোনো মানুষ এত ভালোবাসা দেয় নাই, যতটা উনি দিসেন। আমার গত এটেম্পটের পর সবাই ভাবসে দোষ উনার। উনি একটা ভিলেনে পরিণত হইসেন। অথচ বাস্তবতা হল আমি উনাকে যত ইনসিকিউরিটি অনুভব করাইসি, তাতে উনার দশ বার এটেম্পট করার কথা ছিল।’

তিনি বলেন, ‘উনি আমার জন্য শুধু করেই গেসেন, কিছুই পান নাই। উনি যে কষ্ট আমার থেকে পাইসেন, তা আর এক ছটাকও বাড়লে আমার অনেক পাপ বাড়বে। এখনও উনি উনার মাকে নিয়ে একটা কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে আছেন। আমার অবস্থা নিয়ে উনাকে কেউ কিছু বললে বা মনে করলে শুধুই আমার পাপ বাড়বে।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমার বন্ধুরা, সহযোদ্ধারা সবার কাছে আমি ঋণী ও পাপী। আমি অবশ্য আমার ব্যক্তিজীবনের প্রোটেকশানটা পাই নাই, আমার রাজনৈতিক পরিসর থেকে। সে সব কথা থাক। আর বলে কী হবে। বাবার ব্যাংকের কী যেন একটা লোন আছে। ওইটা কেউ একটু শোধ করে দিয়েন। হুদাই আমার চিকিৎসা করাইতে গিয়ে টাকা খরচ কইরেন না কেউ। আমারে পারলে বাবার পাশে সমাধি দিয়েন।’

উপজেলাভিত্তিক হবে ইউপি নির্বাচন, একসঙ্গে ভোট সব ইউনিয়নে

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন উপজেলাভিত্তিক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত সব ইউনিয়ন পরিষদে একই দিনে ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে সার্বিক নির্বাচন কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচন একাধিক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। মোট কতটি ধাপে ভোট নেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পাঁচ ধাপ নাকি ছয় ধাপে নির্বাচন হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। তবে নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে উপজেলা হবে মূল ভিত্তি।

ইসি সচিব বলেন, একটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে এক ধাপে এবং বাকি ইউনিয়নগুলো অন্য ধাপে নির্বাচন করা হলে ব্যবস্থাপনায় জটিলতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এ কারণে একই উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন একই সঙ্গে করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, পুরো দেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রতিটি ধাপে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সব ইউনিয়নে একসঙ্গে ভোট নেওয়া হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই নেবে।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে, সে বিষয়েও কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান আখতার আহমেদ।

এ কেমন কাণ্ড? যারা মামাবাড়ির আবদার মনে করেন

ছেলেটার নাম মহিবুল্লাহ মুবিন। ৫ তারিখে ফার্মগেটে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তাবেষ্টনী ও গাড়িবহরের ভেতর মোটরসাইকেল নিয়ে আচমকা ঢুকে পড়েন মহিবুল্লাহ মুবিন।নিরাপত্তা রক্ষীদের তৎপরতায় সাথে সাথেই তাকে আটক করা হয়।আজকে আদালত মুবিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।কি ভয়ানক…😑

পুলিশ তার বিরুদ্ধে স*সবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, এটি ছিলো প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি বড় পরিকল্পনা।

আর আদালতে মুবিনের আইনজীবী ও পরিবারের দাবি, সে কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে সেখানে যায়নি। স্রেফ আবেগের বশে প্রধানমন্ত্রীর ছবি তুলতে বা তাকে কাছ থেকে দেখতে মোটরসাইকেল নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল।

ভিআইপি সিকিউরিটিকে যারা মামাবাড়ির আবদার মনে করেন, এই ঘটনা থেকে একটা শিক্ষা নেন৷ অতি-উৎসাহী হয়ে আইনের সীমানা পার হলে পরিণতি এমনই কঠিন হয়।

ছবি তোলার শখে এখন মুবিনকে বড় আইনি
জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।আবেগ দেখাতে গিয়ে এখন পুরো ক্যারিয়ারই হুমকির মুখে। হুজুগে মাতাল হয়ে এমন কাণ্ড করার আগে সবারই একটু ভাবা উচিত!

১৪ পিংক বাসের অর্ধেকেরই আয়ুষ্কাল শেষ, মাসে লোকসান ১২ লাখ টাকা

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে গত ১৮ আগস্ট চালু হয় ‘পিংক বাস’ সার্ভিস। এদিন রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ তথা ‘পিংক বাস সার্ভিস’ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বিশেষ এই বাস সার্ভিস নারীচালক ও নারী কন্ডাক্টরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রুটে ১০টি বাস দিয়ে এ সেবা শুরু করা হয়। এর বাইরে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাস চালু হয়। তিন শহরে মোট ১৪টি গোলাপি রঙের বাস দিয়ে শুরু হয়েছে নারীদের জন্য এ বিশেষ বাস সার্ভিস।

উদ্বোধনের দিন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’তে পরিণত হয় ‘পিংক বাস’। পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথাই ভেসে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে সর্বপরি নারীদের নিরাপত্তায় সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ ভূয়সী প্রশংসাই পেয়েছে।

কিন্তু মাস না যেতেই এই বাস সার্ভিসের বিষয়ে উঠে এসেছে এমন সব তথ্য – যা উদ্যোগটিকে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ।

গণমাধ্যমের এক অনুসন্ধানে জানা গেছে – ১৪টি পিংক বাসের ৬টিরই নেই আয়ুষ্কাল; বাকি ৮টি বাসের আয়ুষ্কাল রয়েছে মাত্র ৫ বছর। পুরোনো বাসে নতুন রঙ ও মোড়ক দিয়ে সড়কে নামানো হয়েছে। আর এই সাভির্স চালাতে গিয়ে মাসে লোকসান গুণতে হচ্ছে প্রায় ১২ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) নথিতে দেখা যায় ‘নারায়ণগঞ্জ-ব-১১-০০৮৪’ বাসটি ২০১১ সালের তৈরি; যার আয়ুষ্কাল ধরা হয় ১৫ বছর। বিআরটিএ থেকে ফিটনেস সনদ ইস্যু হয় ২০১১ সালের ২০ নভেম্বর। অর্থাৎ ২০২৬ সালে এসে এই বাসের আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে। সেই বাসকেই নতুন রং আর মোড়ক দিয়ে নামানো হয়েছে সড়কে।

নারীদের নিরাপত্তার জন্য যে বাসের বহর তার প্রায় অর্ধেকেরই নেই আয়ুষ্কাল। তথ্য অনুযায়ী, ১৪টি পিংক বাসের ৬টিরই ১২ বছরের আয়ুষ্কাল শেষ। বাকি ৮টি বাসের আয়ুষ্কাল আছে মাত্র ৫ বছর।

আয়ুষ্কাল ফুরানো এই বাস চলছে লোকসানে। নথির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ ও ৩০ আগস্ট দেশের ১০টি ডিপো থেকে ১৪ পিংক বাস মাত্র ৩০টি ট্রিপ দেয়। এতে বিক্রি হওয়া ১৭৯২টি টিকিট থেকে আয় হয়েছে ২৭ হাজার ৪২ টাকা। কিন্তু এই দুই দিনে জ্বালানি, টোল, বেতন অন্যান্য বাবদ খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৯ টাকা। অর্থাৎ লোকসান হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ১০৭ টাকা। এ হিসেবে একদিনে লোকসান দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার টাকায়।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মো. হাদিউজ্জামান বলেন, পিংক বাসের আয়ুষ্কাল শেষের যে অভিযোগ উঠেছে, এতে এমন একটা উদ্যোগ হোঁচট খেয়েছে। চাহিদার সঙ্গে যোগানের সমন্বয় করে আরও পরিকল্পিতভাবে যদি উদ্যোগটা চালু করতে পারতাম, তাহলে এই বাস সার্ভিস টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা থাকতো।

বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিলে পিংক বাস সার্ভিস ফলপ্রসু উদ্যোগে রূপ নেবে বলে মত তার।

তিনি জানান, সরকার রুট নির্ধারণ করাসহ অবকাঠামোগত সাপোর্ট দেবে। বাস স্টপেজ, কাউন্ডার ও টিকিটিং সিস্টেমটা মেনটেইন করবে। এদিকে বেসরকারিভাবে আরও বাস যুক্ত করতে হবে। কারণ, তাদের মাথায় ব্যথা থাকবে কীভাবে সেবা দিয়ে উদ্যোগটি ধরে রাখতে হবে। শুধুমাত্র বিআরটিসির ডাবল ডেকার দিয়ে এই সার্ভিসে দীর্ঘমেয়াদী টেকসই সম্ভব নাও হতে পারে।

পিংক বাস সার্ভিসে আয়ুষ্কালহীন বাস চালুর বিষয়টি স্বীকারে করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘২০১৮ ও ১০১৯ সালের পর আমার বহরে কোনো নতুন গাড়ি আসেনি। এটা সরকারের সর্বোচ্চ মহল পর্যন্ত জানেন।’

তাহলে সড়কে কেন এমন বাস নামানো হলো প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রয়োজনের খাতিরে এ গাড়িগুলো চালু করা হয়েছে। আবার যখন নতুন বাস আসবে তখন রিপ্লেসমেন্ট করে ফেলব।

লোকসানের বিষয়টিও স্বীকার করেন আব্দুল লতিফ মোল্লা। বিআরটিসির চেয়ারম্যান বলেন, লাভে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ব্যর্থ হলে ফের টাকা চাওয়া হবে সরকারের কাছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের জন্য পৃথক বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগটি প্রয়োজনীয় ও ইতিবাচক হলেও বাসের মান, নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা এবং পরিচালনাগত দক্ষতা নিশ্চিত না করে শুধু নতুন নামে পুরোনো বাস নামানো হলে উদ্যোগটির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হলে শুধু বাসে নারীচালক ও নারী কন্ডাক্টর নিয়োগ করাই যথেষ্ট নয়। বাসের ফিটনেস, বয়স, যান্ত্রিক সক্ষমতা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রী সহায়তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়া বাস ব্যবহার করলে মাঝপথে বিকল হওয়া বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ফলে যে সেবা নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করার কথা, সেটিই উল্টো অনিরাপত্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

তাদের মতে, একটি গণপরিবহন সেবার ক্ষেত্রে যাত্রীদের কাছে নিরাপত্তার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো বাস বারবার বিকল হলে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হবে এবং ধীরে ধীরে যাত্রীদের মধ্যে এই সেবার প্রতি আস্থা কমে যাবে।

তথ্যসূত্র: স্টার নিউজ

বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার জাতীয় সংসদে ৬৮ বিধির সাধারণ আলোচনার এক পর্যায়ে বিরোধী দলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার লাঞ্চের প্রশংসা করলে তিনি আমন্ত্রণ জানান।

তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব সৃষ্টি এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয় রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ’ বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা তার উত্থাপিত জরুরি গণ-গুরুত্বসম্পন্ন ৬৮ বিধির আলোচনার এক পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা উৎসাহিত হই যখন দেখি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লাঞ্চের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। আমার ভালো লাগে। এত কম টাকায় আমিও খাইতে পারি না। একদম প্লেননি বলছি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী হাত দিয়ে ইশারা করেন আসুন খাওয়াবো। একই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও মাইক ছাগাই মুখে বলেন আপনাকে খাওয়ানো হবে। তিনি এসময় প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইশারা করেন। জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, খাওয়ায় দেবেন? অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আমি তো একা খাবো না। আমি তো ১৮ কোটি মানুষ নিয়ে খেতে চাই। আমি সবাইকে নিয়ে খেতে চাই। তারপরও ধন্যবাদ এই প্রস্তাবটি দেওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তিনি সাদামাঠা জীবনযাবন করেন, সুন্দর। একেবারে পস,, স্যুটে-ব্যুটে নয়। প্লেন পথে চলে। এটা উৎসাহিত হওয়ার মত বিষয়। কিন্তু তার এই জীবন-যাপন নিয়ে অ্যাপ্রিসিয়েশন করতে দেখি তারা আবারো উল্টোপাল্টা চলেন। তিনি যদি এসব মানুষের আইকন হয়ে থাকেন। তাহলে তোকে তো অনুসরণ করা উচিত। সকল ক্ষেত্রেই তাকে অনুসরণ করা উচিত। এটা তো আমরা দেখি না। আমরা ঠিক তার বিপরীতটা দেখি। আমরা আশা করি এখন থেকে আইকন বলার আগে সাবধান হয়ে বলবেন। আর আইকন বললে তাকে ফলো করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষ। তিনি ভুলে ঊর্ধ্বে নয়। তার সব কিছুতে হ্যাঁ বলা যাবে না। হ্যাঁ বলা যাবে কেবল শিশুদের দাবিতে। তারা যা বলতে তাতে হ্যাঁ বলা যাবে।

গাজী নজরুলকে কোনো কমিটিতে না রাখলে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

নৈতিক কারণে দল থেকে বহিষ্কৃত কোনো সংসদ সদস্যকে জাতীয় সংসদের কোনো কমিটিতে না রাখাই উত্তম বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটিতে সদস্য অন্তর্ভুক্তি, পুনর্মূল্যায়ন ও অদলবদলের সুযোগ রয়েছে। তাই নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে ওই সদস্যকে কোনো কমিটিতে না রাখলে তা একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে তিনি এ কথা বলেন।

দল থেকে বহিষ্কৃত ওই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফ্লোর ক্রসিংয়ের অভিযোগ তোলার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। তার ভাষায়, ওই সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ফলে তিনি বর্তমানে দলের সদস্য নন। তাই তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত ভায়োলেট করে ফ্লোর ক্রসিং করেছেন—এমনটা বলার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, মহান জাতীয় সংসদের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যাকে নৈতিক কারণে বহিষ্কার করে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তাকে কোনো কমিটিতে না রাখাই নৈতিকতার দিক থেকে উত্তম ছিল।

সর্বশেষ আপডেট...

সর্বাধিক পঠিত...