একাত্তর টিভিকে বয়কটের ডাক মিজানুর রহমান আজহারীর

ইসলাম বিদ্বেষ টেলিভিশন চ্যানেল উল্লেখ করে একাত্তর টেলিভিশনকে বয়কটের আহবান জানালেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

যাদের ইসলাম বিদ্বেষ রয়েছে তাদেরকে বয়কট করা সময়ের দাবী বলে তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোষ্ট দেন। বুধবার বেলা ১১-৪০ এর দিকে তিনি এই পোষ্ট করেন। মু’হূর্তেই তা ভা’ইরাল হয়ে যায়। এক ঘন্টার মধ্যেই পোষ্টে লাইক পরে ৮৫ হাজার এবং কমেন্ট

পরেছে ৯ হাজার আটশোর বেশি। উক্ত পোষ্টের ৯৯ শতাংশ মন্তব্যই এসেছে একাত্তর টিভির বিরুদ্ধে। আজহারির এই পোষ্টে দেশের অনেক বিশিষ্ট জনেরাও একাত্তর টিভির বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন। মোল্যা সিরাজুল ইসলাম এমপি লিখেছেন, “সহমত পোষণ করছি সঠিক ও সৃজনশীল সংবাদ পরিবেশনে তারা অনেক পিছিয়ে।”

মিজানুর রহমান আজহারীর ফেসবুক পোষ্ট আজহারী তার পোষ্টে লিখেন, “সংকটে, সংবাদে, সংযোগে— সর্বত্রই যাদের ইসলাম বিদ্বেষ তাদের বয়কট করা সময়ের দাবী। তাই, একাত্তর টিভিকে বয়কট করুন। আমি করেছি, আপনারাও করুন।” এদিকে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর তার এক পোষ্টের মাধ্যমে একাত্তর টিভিকে বয়কটের কথা জানান। নুরের পোষ্টটি হুবহু তুলে ধরা হইলো, “৭১ টিভি

তাদের প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য বার বার ফোন দিয়েছিলো। আমি সরাসরিই বলে দিয়েছি, বিভিন্ন সময়ে ৭১ টিভির পক্ষপাতমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। তাই ৭১ টিভিতে কথা বলার ইচ্ছে ও রুচি নেই। স”হযোদ্ধা, শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থকদের বলবো সকল ধরণের হলুদ সাংবাদিকতা এবং দালাল গণমাধ্যম বর্জন করুন। নুরুল হক নুরের পোষ্টস্ট্যাটাসে ভিপি নুর আরো বলেন, ৭১ টিভি কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই

আপনারা যেভাবে সংবাদ উপস্থাপন করেন এগুলো কি সাংবাদিকতা বা গণমাধ্যমের নীতিমালায় পড়ে? এগুলো কোন গণমাধ্যমের কাজ?” এছাড়া নুর ৭১ টিভির ফেসবুক পেইজ আনলাইক এবং ইউটিউব চ্যানেল আন-সাবস্ক্রাইব করে দিয়েছেন। সে সাথে আজ থেকে একাত্তর টিভি দেখবেন না বলেও অন্য আরেক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন তিনি।এদিকে মিজানুর রহমান আজহারী এবং ভিপি নুর সহ দেশের বিশিষ্ট অনলাইন এক্টিভিস্টদের অনলাইন প্রতিবাদের কারণে প্রতি সেকেন্ডেই কমছে একাত্তর চ্যানেলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ এবং ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব সংখ্যা। আন লাইকের হিড়িক পরছে তাদের ফেসবুকেও। সেকেন্ডেই কমছে ফলোয়ারের সংখ্যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *