
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে পরিষ্কার করে বলে দেয়া আছে কোনও নাগরিক যেকোনও সময় দেশ ছাড়তে পারেন, আবার যেকোনও সময় দেশে ঢুকতেও পারেন। এটা সংবিধানে পরিষ্কার করে দেয়া আছে। বাংলাদেশে ঢোকার পরে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, সেটা সরকারের হাতে।’
এর আগেও গত ৬ জুলাই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেছিলেন, তার দেশে ফিরতে আইনগত কোনও বাধা নেই এবং দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
এ দিকে শুক্রবারই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হবে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানার দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ঝাড়ুমিছিল এবং বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাকে আশুগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণার হুঁশিয়ারির বিষয়েও সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন।
জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘রাজনীতিতে এটা হয়। এটা কিছু না। রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে। রাজনীতিতে মিছিল-মিটিং হবে—সেটাই তো রাজনীতি। এগুলো সবই স্বাভাবিক।’
তিনি আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদের বক্তব্যের জবাব মানুষই দেয়। শুক্রবারের অনুষ্ঠানে মানুষের উপস্থিতিই তার জবাব দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।













































