
চট্টগ্রামের হাটহাজারীর কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধনকে ঘিরে হাসনাত আবদুল্লাহর একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
প্রচারিত বক্তব্য অনুযায়ী, ভবন উদ্বোধনের জন্য সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, নামফলকে বড় করে তাঁর নাম লেখা রয়েছে। বিষয়টি তাঁর পছন্দ হয়নি। এরপর ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান বা উন্নয়নকাজের সঙ্গে ব্যক্তিগত প্রচারণা জুড়ে দেওয়ার সংস্কৃতি নিয়ে আপত্তি জানান তিনি।
এরপর নামফলকটি গ্রহণ না করে এবং নির্ধারিত উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না করেই তিনি স্থান ত্যাগ করেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের মূল বার্তা হিসেবে সামনে এসেছে—কোনো জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম পাথরে খোদাই করে রাখার চেয়ে কাজের মাধ্যমে মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়টি হাটহাজারীর একটি পুরোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৩ সাল বলে বিভিন্ন শিক্ষা-তথ্যসূত্রে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনাটি সত্যিই যেভাবে বলা হচ্ছে সেভাবে ঘটে থাকলে, এটি সরকারি বা জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে ব্যক্তিগত প্রচারণার সম্পর্ক নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক সামনে আনে।
পদ-পদবি পরিবর্তনশীল—কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধির কাজ ও মানুষের জন্য করা অবদানই শেষ পর্যন্ত তার পরিচয়ের অংশ হয়ে থাকে।









































