
কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতের আইনজীবী সহকারী (ল’ ক্লার্ক বা মুহুরি) সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে ৬৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বাতেন মুহুরি। তবে নির্বাচনের দুই দিন আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাতে ফলাফল ঘোষণা করে সমিতির নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা বারের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুল বাতেন কুড়িগ্রাম জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকনের আইনজীবী সহকারী।
তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি।
কুড়িগ্রাম সদর থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আব্দুল বাতেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফলে জানা যায়, ১৪ সদস্যের প্যানেলের মধ্যে আব্দুল বাতেন সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ আটজন বিজয়ী হয়েছেন।
সভাপতি পদে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ২০৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক আহমেদ পেয়েছেন ১৪০ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল বাতেন সমর্থিত প্যানেলের আতিয়ার রহমান ১৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুর রহমান পেয়েছেন ১০১ ভোট।
সমিতিতে মোট ভোটার ৩৬২ জন।
এর মধ্যে ৩৫৮ জন ভোট দিয়েছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের আগে একজন প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করায় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি মর্মাহত হয়েছি। আব্দুল বাতেনকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আমি জানি না। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার কারণে সে অনেক সহানুভূতির ভোট পেয়েছে এবং তার প্যানেলের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য বিজয়ী হয়েছে।’








































