
জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের চুরি হওয়া ল্যাপটপ কীভাবে কাপড় ব্যবসায়ীর দোকানে গেল, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। কাপড়িয়াপট্টি এলাকার ব্যবসায়ী অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার সময় আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান বলে দাবি করেছেন। পরে ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশকে বিষয়টি জানান বলেও দাবি তার। তবে পুলিশ এবং ক্রিল জানিয়েছেন, তারা লোকেশন ট্র্যাক করে ওই দোকানে পৌঁছান।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে ক্রিল কালবেলা অনলাইনকে বলেন, ‘অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে আমি সারাক্ষণ ম্যাকবুকের লোকেশন দেখছিলাম এবং সেটি পুলিশ ও এসআরবিকে পাঠাতে থাকি। মাঝে কয়েক দিন লোকেশন পাওয়া যায়নি। রোববার রাতে লোকেশন পাঠানোর পর পুলিশ ওই দোকানের ভেতর থেকে ল্যাপটপ উদ্ধার করে।’
পুলিশ বলছে, ব্যবসায়ী অমল বা তার ছেলে অন্তর এ ঘটনায় জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।
ক্রিলও বলছেন, ‘আমি ঠিক নিশ্চিত নই, কীভাবে ওই দোকানে ল্যাপটপ গেল। মাঝে কয়েক দিন লোকেশন পাইনি। পুলিশ ল্যাপটপ নিয়ে ঢাকায় আসবে। সংবাদ সম্মেলন করবে, সেখানে বিস্তারিত জানা যাবে।’
নাটোর পুলিশের এক কর্মকর্তা কালবেলাকে জানান, ব্যবসায়ীর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো তাকে গ্রেপ্তার বা আটক দেখাচ্ছি না। অধিকতর তদন্তের জন্য নিয়ে এসেছি।’
উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত থাকা একাধিক ব্যক্তি কালবেলা অনলাইনকে জানিয়েছেন, ক্রিলের দেওয়া লোকেশন অনুযায়ী ওই দোকানে প্রথমে পৌঁছায় এসআরবি। সে সময় ব্যবসায়ী অমল বা তার ছেলে দোকানটিতে ছিলেন না। তল্লাশি করে তখন ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশও পৌঁছায়। ততক্ষণে ব্যবসায়ী ও তার ছেলে দোকানে আসেন। এরপর ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
অমলের দাবি, তিনি ৮ অক্টোবর ল্যাপটপটি কুড়িয়ে পান। ক্রিলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ল্যাপটপটি চুরি হয় ৭ অক্টোবর বিকেলে।













































