প্রচ্ছদ জাতীয় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত, যা জানা গেল

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত, যা জানা গেল

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

এদিকে, দেশে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে এবং এই আন্দোলনকে তিলে তিলে সফলতার দিকে নিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার : সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণভোটকে এক সময় হারাম, আরেক সময় হালাল বলা হচ্ছে। সংসদে আমাদের কণ্ঠ দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে আমরা কণ্ঠ বন্ধ করিনি। কারণ আমরা জনগণের অধিকারের কথা বলতেই সংসদে গিয়েছি, চুপ করে বসে থাকার জন্য না।’

তিনি বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থান কেবল শিক্ষিত ছাত্র বা রাজনীতিবিদদের আন্দোলন নয়। প্রায় ১৪০০ শহীদের মধ্যে ১২০০ শহীদের বাড়িতে আমার ব্যক্তিগতভাবে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এই শহীদদের ৬২ শতাংশই শ্রমিক। তারা কি কোটার বৈষম্যের বিরুদ্ধে নেমেছিল? কোটার বৈষম্যের বিরুদ্ধে নেমেছিল আমাদের যুবসমাজ, ছাত্র সমাজ। তারা নেমেছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা নেমেছিল একটা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া এখন সংসদে দেখতে পাচ্ছি। ওই সংসদে দাঁড়িয়ে আজকে যারা সরকারি দলের গ্যালারিতে বসেছেন, তাদের একসময় তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে যেভাবে কথা বলা হতো, আজকে দুই-একজন আমাদের লক্ষ্য করে সেরকম কথা বলা শুরু করেছেন। আমরা তাদের বলি, জিহ্বা সংযত করুন। এই মনোভাব এবং আচরণ দেখাবেন না। জুলাইযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যেই প্রজন্ম, যেই দেশ গড়ে উঠেছে, এই দেশ কারও চোখ রাঙানির পরোয়া করে না।’
সূত্র : কালবেলা