প্রচ্ছদ আর্ন্তজাতিক যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীকে হা’তুড়িপে’টায় হ’ত্যা, মুখ খুললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীকে হা’তুড়িপে’টায় হ’ত্যা, মুখ খুললেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, ‘এই জানোয়ারটিকে এখানে থাকতে দেয়া হয়েছিল কারণ বাইডেন প্রশাসন তাকে এবং সমস্ত হাইতিবাসীকে টেম্পোরারি প্রোটেক্টিভ স্ট্যাটাস প্রদান করেছিল। এটি একটি ব্যাপকভাবে অপব্যবহৃত এবং প্রতারণামূলক কর্মসূচি। আমার প্রশাসন এটি বাতিল করার জন্য কাজ করছে, কিন্তু উম্মাদ উদারপন্থী ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারকরা আমাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।’

‘এই একটি হত্যাকাণ্ডই এই কট্টরপন্থী বিচারকদের জন্য যথেষ্ট হওয়া উচিত। তারা যেন আমার প্রশাসনের অভিবাসন নীতিতে বাধা দেয়া বন্ধ করে এবং আমাদের এই প্রতারণা চিরতরে শেষ করার সুযোগ দেয়’-যোগ করেন ট্রাম্প।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমার সহযোগী রিপাবলিকান এবং সত্যি বলতে সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন সকল আমেরিকানদের বলছি, জো বাইডেন এবং ডেমোক্র্যাট পার্টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছে। তারা সারা বিশ্বের কোটি কোটি অপরাধী, উন্মাদ এবং মানসিকভাবে বিকৃত মানুষদের আমাদের সম্পূর্ণ উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ দেশে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে।’

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ‘আমি বরাবরই বলে এসেছি, আপনি যদি তৃতীয় বিশ্বকে আমদানি করেন, তবে আপনি নিজেই তৃতীয় বিশ্বে পরিণত হবেন। ডেমোক্র্যাটদের গত চার বছরের শাসনামলে ঠিক সেটিই ঘটেছে। আমরা নির্বাসনের মাধ্যমে দ্রুত এই অধঃপতন রোধ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা যদি আবারও ক্ষমতায় আসার সুযোগ পায়, তবে তারা সাথে সাথে সীমান্ত পুনরায় খুলে দেবে এবং আমেরিকাকে আবারও অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত করবে।’

পোস্টের শেষ অংশে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘অনুগ্রহ করে এই নিরপরাধ মহিলার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করবেন। আমরা নিশ্চিত করব যেন এই ঘটনায় দ্রুত এবং কঠোর বিচার নিশ্চিত করা হয়। আমি আপনাদের এই ভিডিওটি দেখার পরামর্শ দেব না, কারণ এটি অত্যন্ত ভয়াবহ। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা কাদের সুরক্ষা দিচ্ছে এবং এত কিছুর মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরেও তারা কাদের আমাদের দেশে ঢুকাতে চায়, তা মানুষকে দেখানোর জন্য এই ভিডিওটি প্রকাশ করা আমি আমার দায়িত্ব বলে মনে করেছি।’

দীর্ঘ এই পোস্টে নিলুফার ইয়াসমিনের নাম এবং তার বাংলাদেশি পরিচয়ের কথা উল্লেখ করেননি ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের ধারণা, আসন্ন মিডটার্ম ইলেকশনের রায় রিপাবলিকানদের পক্ষে আনতেই এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। ইরান যুদ্ধের কারণে এই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।