
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় প্রতিদিন ১৫টি জাহাজ প্রণালি পাড়ি দিতে পারবে। ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া ইরানের একটি কূটনৈতিক সূত্র এ দাবি করেছে।
বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম তাসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণভাবে ইরানের অনুমোদন ও নির্দিষ্ট প্রটোকলের ওপর নির্ভরশীল। এই নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। যুদ্ধ-পূর্ব স্বাভাবিক অবস্থায় আর ফেরা হবে না।
ইরান জানিয়েছে, তাদের অবরুদ্ধ অর্থনৈতিক সম্পদ দ্রুত মুক্ত করা এই যুদ্ধবিরতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি না হলে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে পারে। এছাড়া যুদ্ধের সমাপ্তি অবশ্যই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হতে হবে।
ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যদি তাদের শর্ত অনুযায়ী জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস না হয়, তাহলে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পুনরায় এবং আরও জোরালোভাবে সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত। এছাড়া এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময় যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সেনা মোতায়েন বাড়াতে পারবে না বলেও জানিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বিষয়ে পূর্বের চুক্তি মেনে চলার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে তারা।
উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের পারস্পরিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা আলোচনার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে উভয় পক্ষকে আলোচনায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকে সরাসরি আলোচনা হতে পারে।












































