
বিচারবিভাগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না থাকুক, এটা আমাদের সকলের প্রত্যাশা। আমাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বিচার বিভাগে কোন কালো থাবা থাকবেনা।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় ও বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
তৎপরবর্তীকালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার তা বাতিলের সুপারিশ করলে, এরপরে হাইকোর্টে রিট হলে মহামান্য হাইকোর্ট অনতিবিলম্বে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেয়।
ভেরি ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি হলে তৎকালীন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোটামের নেতা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাহেব এই অধ্যাদেশকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে স্বাগত জানান।
কিন্তু আজকে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের চেয়ারে বসে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে আপিল করার ঘোষণা দিলেন। তারমানে হলো তারা সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় চান না। কেনো চান না? কারন তারা এখন ক্ষমতায়। তখন কেনো চেয়েছিলেন? কারন তখন তারা ক্ষমতার চেয়ারে বসেন নাই।
চেয়ার পাইলে আমরা দিনদুনিয়ার সবকিছু ভুলে যায়। বাংলাদেশের জনগণের কপালে শান্তি নাই, আবারও রাজপথে ঝরাতে হবে রক্ত, আবারও দিতে হবে জীবন।।
আফসোস!!
ফারুক হাসান
দলীয় মুখপাত্র ও সিনিয়র সহ-সভাপতি
গণঅধিকার পরিষদ











































