
প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানার মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক সদস্য মাহি চৌধুরী অর্ণবের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন আসামি মাহিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপ-পরিদর্শক জহুরুল ইসলাম তার ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এসময় বাদীপক্ষে আতিকুজ্জামান মোল্লাসহ অন্যরা রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৪ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর ইব্রাহিমপুরে মাহিকে আটক করেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আসামি মাহি চৌধুরীর সঙ্গে শাকিরুল ইসলাম হিমেলের ফেসবুকের একটি ইনভেস্টর গ্রুপের মাধ্যমে পরিচয় হয়। ওই পরিচয়ের সুবাদে গত ১ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাহি চৌধুরী ভুক্তভোগী হিমেলের বাসায় উপস্থিত হন। এসময় তার ক্যাটফুড এন্ড এক্সেসরিজ ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন। তখন ভুক্তভোগী হিমেল ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানান।
মাহি চৌধুরী জানান, অপর আসামি মো. আবুল হাসানের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগ গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ে লাভসহ টাকা ফেরত প্রদান করবেন। পরবর্তীতে হিমেল আসামি মাহির দেওয়া দুইটি ব্যাংক হিসাবে গত ২ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ৩৮ লাখ ২৮ হাজার ১৫০ টাকা পাঠান। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী বিনিয়োগকৃত টাকা লাভসহ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেননি। একপর্যায়ে মাহি আত্মগোপনে চলে যান।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ২ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে আসামি মাহি ভুক্তভোগী হিমেলের বাসায় উপস্থিত হয়ে জানান, ৩ এপ্রিল তার বাবা মো. নাজমুল করিম চৌধুরী উপস্থিত হয়ে টাকার বিষয়ে সমাধান করবেন। কিন্ত ওইদিন তারা উপস্থিত না হয়ে ফোনের মাধ্যমে জানান, তারা কোনো টাকা ফেরত দেবে না।
এ ঘটনায় গত ৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর ভাই মো. সামসুল হক তুষার বাদী হয়ে কাফরুল থানায় মামলা করেন।











































