
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাত থেকেই এসব নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ভোটের দিন সীমিত থাকবে অন্যান্য যান চলাচলও।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সোমবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভোটের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তার কারণে ৭ এপ্রিল মধ্যরাত ১২টা থেকে ১০ এপ্রিল মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।
সর্বসাধারণের অন্যান্য যানবাহনের জন্যও সময়সীমা অনুযায়ী সীমিত চলাচল থাকবে। ৮ এপ্রিল মধ্যরাত ১২টা থেকে ৯ এপ্রিল মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার জন্য ট্যাক্সি, প্রাইভেট কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এটি সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা জানানো হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে– আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন। জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন।
এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি করে যানবাহন রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলতে পারবে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদনে চলাচল করতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তজেলা সংযোগ সড়কে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করার ক্ষমতা রাখবেন।
নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা অনুমোদনপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি প্রয়োজন অনুযায়ী মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবে।










































