
ইতিহাসের চাকা কখনো কখনো এমন এক বিন্দুতে এসে থমকে দাঁড়ায়, যেখানে অতীত আর বর্তমানের ব্যবধান ঘুচে গিয়ে উন্মোচিত হয় এক রূঢ় বাস্তবতা। ২০০৭ সালের এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জানুয়ারিতে যারা বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ বদলে দিয়ে ক্ষমতার দণ্ড হাতে তুলে নিয়েছিলেন, আজ প্রায় ১৯ বছর পর সেই ইতিহাসেরই আমোঘ বিচারে তারাই কাঠগড়ায়।
১৭ বছরের দীর্ঘ নির্বাসন, অমানসিক শারীরিক যন্ত্রণা আর অগণিত রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তার ক্ষমতা গ্রহণের মাস খানিকের মধ্যেই এক-এগারোর দুই প্রতাপশালী কুশীলব- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের গ্রেফতার কেবল কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং একে দেখা হচ্ছে একটি মহাকাব্যিক সমীকরণের চূড়ান্ত মিলনবিন্দু হিসেবে।
বারিধারা ও মিরপুর ডিওএইচএস-এর সুরক্ষিত আবাস থেকে ডিবির অন্ধকার প্রকোষ্ঠে এই দুই জেনারেলের স্থানান্তর কি কেবলই সময়ের পরিহাস, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত কোনো বিচারিক পরিকল্পনা? রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই গ্রেফতারগুলো কেবল ব্যক্তি বিশেষের পতন নয়, বরং এক-এগারোর সেই দুঃসহ অধ্যায়ের হিসাব চুকানোর এক সুদূরপ্রসারী প্রক্রিয়ার সূচনা মাত্র।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হওয়ার সময় সাভারের ৯ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন ক্ষমতার নেপথ্য কারিগর। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে চাপ প্রয়োগ করে জরুরি অবস্থা জারিতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে তার অগ্রণী ভূমিকা ছিল বলে তৎকালীন অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্লেষক দাবি করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তারেক রহমানসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের ওপর অকথ্য নির্যাতনের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেট করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় গণহত্যার উসকানি দেওয়ার মামলায় তাকে ৬ দিনের নতুন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিচার শুরু হওয়া মানে হলো সেই অসাংবিধানিক ক্ষমতা পরিবর্তনের পেছনের মূল হোতাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা। তবে তার জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এক-এগারোর আরও অনেক অগোচরে থাকা চরিত্রদের নাম এখন গোয়েন্দা নথিতে যুক্ত হচ্ছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ছিলেন এক-এগারোর সময়কার ডিজিএফআই-এর কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক, যা ছিল মূলত রাজনীতিবিদদের হেনস্তা করার প্রধান কেন্দ্র।
অভিযোগ রয়েছে, তারেক রহমানকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন এবং সেসব ফুটেজ গণমাধ্যমে ফাঁসের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর নেপথ্যে তার প্রত্যক্ষ মস্তিস্ক কাজ করেছিল। পরবর্তীতে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক থাকাকালীন তিনি ‘আয়নাঘর’ বা গুমের সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন বলে ভুক্তভোগী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘকাল ধরে দাবি করে আসছে।
২০২৬ সালের ২৬ মার্চ ভোরে তাকে গ্রেফতারের পর মিরপুরে ছাত্র-জনতা হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে রয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের সরকার কেবল ব্যক্তিগত নির্যাতনের বদলা নিচ্ছে না, বরং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের একটি ঐতিহাসিক বিচার নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা আমলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যা তার জন্য আইনি জটিলতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে এখন বড় প্রশ্ন- এই তালিকায় এরপর কে কে আছেন? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সূত্রগুলো থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে যে, এক-এগারোর সময়কার আরও অন্তত ডজনখানেক সাবেক সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার ওপর কড়া নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই দুই গ্রেফতারের মাধ্যমে সরকার একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে যে, সময়ের ব্যবধান অপরাধের দায়মুক্তি দেয় না।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি বিশেষ সেল এখন ২০০৭-২০০৮ সালের সেই দিনলিপি বিশ্লেষণ করছে, যেখানে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম নতুন করে উঠে আসছে। আইনজ্ঞদের মতে, এই গ্রেফতারগুলো একটি ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ শুরু করবে, যেখানে একজন অভিযুক্তের তথ্য থেকে বেরিয়ে আসবে অন্য সহযোগীদের নাম।
এক-এগারোর প্রেক্ষাপট আলোচনায় এলে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মইন উ আহমেদের নাম সবার আগে চলে আসে। বর্তমানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গভবনে গিয়ে অসাংবিধানিক পন্থায় জরুরি অবস্থা জারিতে বাধ্য করা এবং ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা বাস্তবায়নে তিনি ছিলেন প্রধান সেনাপতি। নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, মইন উ আহমেদকে ছাড়া এক-এগারোর বিচার কখনোই পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে না, কারণ তিনিই ছিলেন পুরো অভিযানের মূল হোতা। তারা মনে করছেন, মইন উ আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনা এখন বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ও আইনি চ্যালেঞ্জ এবং এটিই হবে এই বিচার প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সাফল্য।
এক-এগারোর সময় ডিজিএফআই-এর সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও বিতর্কিত দুই কর্মকর্তা ছিলেন তৎকালীন মেজর জেনারেল এটিএম আমিন এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল চৌধুরী ফজলুল বারী। অভিযোগ রয়েছে, এই দুই কর্মকর্তাই সরাসরি তারেক রহমানকে রিমান্ডে নিয়ে অমানসিক নির্যাতন করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিলেন এবং ঢাকা সেনানিবাসের টর্চার সেলে সেই নির্যাতন তদারকি করেছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের মেরুদণ্ডে যে স্থায়ী আঘাত লেগেছে, তার জন্য এই দুই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আক্রোশ ও ক্ষমতার দম্ভই সরাসরি দায়ী ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটিএম আমিন ও ফজলুল বারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে গ্রেফতারের মাধ্যমেই বেরিয়ে আসবে কীভাবে রাজনীতিবিদদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো এবং কীভাবে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে চরিত্রহনন করা হতো। এই দুই কর্মকর্তার নাম বর্তমানে গ্রেফতার হওয়া শেখ মামুন খালেদের স্বীকারোক্তিতেও উঠে এসেছে বলে ডিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এক-এগারোর সময় কেবল সামরিক কর্মকর্তাই নয়, বরং কিছু বেসামরিক আমলা ও অতি-উৎসাহী বুদ্ধিজীবীও ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিলেন বলে কথিত আছে। তৎকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের কিছু সদস্য এবং প্রভাবশালী আমলাদের ভূমিকাও এখন নতুন করে তদন্তের আওতায় আসছে। রাষ্ট্রচিন্তকদের মতে, রাজনীতিবিদদের রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করে একটি ‘কিংস পার্টি’ গঠন করার যে অপচেষ্টা হয়েছিল, তাতে এই বেসামরিক কুশীলবরাই ছক এঁকেছিলেন।
বর্তমান সরকারের অধীনে গঠিত একটি বিশেষ তদন্ত কমিশন সেই সময়কার ব্যাংক হিসাব এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের গোপন বৈঠকের নথি সংগ্রহ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের সরকার চাচ্ছে কেবল সামরিক নয়, বরং অসাংবিধানিক শাসনের সহযোগী সেই সব বেসামরিক ব্যক্তিদেরও কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে। তা করা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে আর কোনো বেসামরিক গোষ্ঠী অসাংবিধানিক শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখবে না বলে মনে করেন বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।
১৭ বছর লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা তারেক রহমান যখন দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হলেন, তখন অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াবেন কি না। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণের এক মাসের মাথায় এক-এগারোর দুই বড় স্তম্ভকে গ্রেফতার করা রাজনৈতিক মহলে এক ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, এটি তারেক রহমানের প্রতিহিংসার রাজনীতি বা ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সংস্কারের অংশ।
তারেক রহমান নিজে এক-এগারোর সময় রিমান্ডে অমানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, যার ক্ষত তিনি আজও তার শরীরে বহন করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বাংলানিউজকে বলেন, “তারেক রহমানের এই পদক্ষেপটি ‘ন্যাচারাল জাস্টিস’ এর একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। যারা সংবিধান লঙ্ঘন করে জনগণের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা না হলে দেশে আইনের শাসন কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না। এই দুই হাই-প্রোফাইল কর্মকর্তার গ্রেফতার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর দীর্ঘদিনের একটি গভীর ক্ষতের অস্ত্রোপচারের সমান। এক-এগারোর কুশীলবরা দীর্ঘকাল ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় একটি ধারণা জন্মেছিল যে, অসাংবিধানিক ক্ষমতা দখলকারীরা হয়তো বিচারাতীত বা আইনের ঊর্ধ্বে।”
তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার যদি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরেট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এই বিচার সম্পন্ন করতে পারে, তবে তা ভবিষ্যতে যেকোনো অসাংবিধানিক উচ্চাভিলাষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ‘ডিটারেন্ট’ বা প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি যেহেতু এখন ঢাকার দিকে, তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যেন এই পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ আইনি কাঠামোর ভেতরে থাকে। এটি যদি কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রূপ পায় তবে লক্ষ্য ব্যাহত হতে পারে, কিন্তু যদি তা ‘ডু প্রসেস’ প্রক্রিয়ায় শেষ হয়, তবে তা হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে আইনের শাসনের এক অনন্য উদাহরণ।”
উচ্চপদস্থ ও প্রভাবশালী সাবেক জেনারেলদের গ্রেফতারের ফলে বর্তমান সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে কী প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। অধিকাংশ সামরিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, বর্তমান সেনাবাহিনী অনেক বেশি পেশাদার এবং তারা এক-এগারোর মতো কোনো অসাংবিধানিক রাজনৈতিক বিতর্কে নিজেদের জড়াতে চায় না। বর্তমান সরকার চাচ্ছে বিতর্কিত ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিচারের মাধ্যমে সামরিক বাহিনীকে একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে।
সাবেক জিওসি ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বা শেখ মামুন খালেদের মতো ব্যক্তিদের বিচার শুরু হলে বাহিনীর ভেতরে যারা এখনো রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ পোষণ করেন, তাদের কাছে একটি কঠোর সতর্কবার্তা যাবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে সেনাবাহিনীর ইমেজ বৃদ্ধি করবে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা মিশনেও বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বারবার আশ্বস্ত করছে যে, এটি কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ফৌজদারি অপরাধের বিচার মাত্র।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং শেখ মামুন খালেদের গ্রেফতার কেবল একটি গ্রেফতার নয়, এই ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়ের দায়মুক্তির সূচনা বলে মনে করছেন অনেকেই। এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক-এগারোর নেপথ্যের সব কুৎসিত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং ভবিষ্যতে আর কেউ গণতন্ত্র হরণের দুঃসাহস দেখাবে না, এমন আশা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের।
সূত্র : বাংলা নিউজ ২৪











































