
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপরেই সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ দলের অনেক নেতাকর্মীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এ তালিকায় নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানও।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শামীম ওসমানকে জড়িয়ে তার ছবিসহ যমুনা টিভির ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার হতে দেখা গেছে। উক্ত ফটোকার্ডের শিরোনামে দাবি করা হয়, ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’।
ফ্যাক্টচেক
রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, শামীম ওসমানকে জড়িয়ে যমুনা টিভি এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। প্রকৃতপক্ষে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় যমুনা টিভির ডিজাইনের আদলে ফটোকার্ড তৈরি করে ভুয়া এ দাবিগুলো প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে এতে মূলধারার গণমাধ্যম যমুনা টিভির উল্লেখ পাওয়া যায়। উক্ত সূত্র ধরে সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণ করে এমন কোনো ফটোকার্ডের সন্ধান মেলেনি। সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেলেও উল্লেখিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এছাড়া, ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণে সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজের ফটোকার্ডগুলোর সঙ্গে আলোচিত ফটোকার্ডটির শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইনের অমিল পরিলক্ষিত হয়।
পাশাপাশি অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতেও আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো তথ্য বা সংবাদ পাওয়া যায়নি৷
সুতরাং শামীম ওসমান মারা গেছেন দাবিতে যমুনা টিভির নামে প্রচারিত ফটোকার্ডটি ভুয়া ও বানোয়াট।












































