
মনে হচ্ছে প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন তার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন। তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন নির্বাচনের পর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে যাবেন। তখন নির্বাচন নিয়ে দেশে টানটান উত্তেজনা। কে জেতে, কে হারে এ নিয়ে নানা হিসেব-নিকেশ। চারদিকে একই আওয়াজ জামায়াতে ইসলামী অনেকটা নাটকীয়ভাবে ক্ষমতার মসনদে চলে যেতে পারে। দেশের আনাচে-কানাচে এই ধারণাই প্রবল হয়ে উঠছিল । বঙ্গভবনের চারদেয়ালে বন্দি প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের কানেও এই খবরটি পৌঁছেছিল। ধারণা করা যায়, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ১১ ডিসেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। খবরটি তখন নানা কৌতূহলের জন্ম দিয়েছিল। নির্বাচনে বিএনপির জয়ে সবকিছু ওলট-পালট হয়ে যায়। বিএনপি নেতারা বলছেন, এই ফলাফল ছিল প্রত্যাশিত। তারা এটাও বলছেন, দলীয় কোন্দল আর মনোনয়ন বাণিজ্য না হলে আরও ৩০টি আসনে জয় তাদের সুনিশ্চিত ছিল। বিশেষ করে যশোরের ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দেয় ।
যাইহোক, নির্বাচনের ফলাফল দেখে প্রেসিডেন্ট কি তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে গেলেন? যদিও তিনি এই মুহূর্তে স্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছেন। তিনি মুক্ত, সাংবিধানিক পদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করছেন। সংসদে বক্তৃতা করছেন। বঙ্গভবনে নানা আয়োজন চলছে। তার প্রেস সেকশনও বহাল। অন্তর্বর্তী প্রশাসন তাকে অনেকটা ঘরবন্দি করেছিল। অন্তত তিনবার মব সন্ত্রাসের শিকার হয়েছিলেন তিনি। তাকে সরিয়ে দেয়ার জন্য দেশি-বিদেশি নানা তৎপরতা চলছিল। তখনকার আইন উপদেষ্টা নেপথ্যে অনেক ভূমিকা রেখেছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সবুজ সংকেত পেয়ে উপদেষ্টারা প্রেসিডেন্টের অপসারণে নানা খেলায় লিপ্ত ছিলেন। যদিও বিএনপি তখন ছিল ভিন্ন স্রোতে। তারা বরাবরই সাহাবুদ্দিন নয়, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পক্ষে কড়া অবস্থান নিয়েছিল। তারা বলেছিল, প্রেসিডেন্টের অপসারণে তাদের কোনো মত নেই। এই কারণে প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সব নকশা ভন্ডুল হয়ে যায়।
বিপ্লবী সরকার গঠনের চেষ্টাও ছিল। পর্দার আড়ালের এক ‘রহস্যপুরুষের’ ইন্ধনে বারকয়েক মব সন্ত্রাসও চালানো হয়। সেই পুরুষ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। নির্বাচনে প্রশাসনিক ক্যুয়ের চেষ্টা সফল না হলেও কোনো কোনো অঞ্চলে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কার্যকর ছিল– এমনটি বলা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন নির্বাচনের ফলাফল দেখে যারপরনাই খুশি হয়েছেন। অন্য ফলাফল হলে তাকে অপমানিত হয়ে বিদায় নিতে হতো। যেটা তিনি রয়টার্সকে বলতে কসুর করেননি। নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির আপাতত কোনো তাগিদই দেখা যাচ্ছে না। তারা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা বলছেন। যে কারণে কে প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন বা কাকে বানানো হচ্ছে তা নিয়ে কোনো জল্পনা-কল্পনা নেই। আওয়াজ নেই পার্টির ভেতরে এবং বাইরে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়- এটা নতুন করে বলার কিছু নেই।
ক্ষমতার লোভ এতো আরাম আয়েশ কে ছাড়তে চায়? রাস্টপতি ও তাই।
অতীতকে আমরা সামনে নিতে চাই না। অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে ভাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবই করলেন, অথচ এই কাজটি করতে পারলেন না।
আমার ধারণা ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার সহসাই রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিবেন ইনশাআল্লাহ।
জুলাই আগষ্ট বিপ্লবের মাঝে হাজারো শহীদের রক্ত
অদ্য লক্ষাদিক ক্ষতবিক্ষত জীবন্ত গাজীর বাংলাদেশ
থেকে রাজনীতিবিদ গুলো শিক্ষা গ্রহন করেননি??
গোটা জাতির ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শক্তিশালী
আওয়ামী জাহেলিয়াতের যুগের অবসান করা হল।
৫ই আগষ্ট ছিলো আওয়ামী শাসনব্যবস্থার কবর হল
একেবারেই আল্লাহর পক্ষ থেকে ছাত্র জনতার ঐক্য হলো। দীর্ঘদিনের ভয়ানক জুলুম নির্যাতন নিপীড়ন খুন ঘুম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আইন শৃংখলা বাহিনীর সরকারের নির্দেশে জঘন্যতম জুলুম নির্যাতনের আল্লাহর বিচার হলো। গোটা বাংলাদেশ আওয়ামী জাহেলিয়ার মুক্ত। মসজিদের ঈমাম থেকে তৃণমূল আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিরা উদাও পলাতক। আইন শৃংখলা বাহিনীর মাঝে পুলিশের প্রতি মানুষের ক্ষোভ এত বেশী ছিলো যার দূষ্টান্ত গোটা দেশ থেকে পুলিশ পলাতক গায়েব জীবনের নিরাপত্তা সেনাবাহিনীর নিকট আশ্রয় ইত্যাদি ইত্যাদি। এই রকম ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
৫আগষ্টের বিপ্লবে সব চাইতে লাভবান হলো আমার দল বিএনপি। জুলাই আগষ্ট থেকে শিক্ষা আমাদের
হলো না??? ক্ষমতা শক্তি চীরস্থায়ী নয় রাজনীতিবিদ
বুদ্ধিজীবী বুঝে জানে। ক্ষমতাই গেলে ভুলে যায়।
রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান প্রধানমন্ত্রী শান্ত ভদ্র মার্জিত একেবারেই সাধারণ মানুষের মত গোটা জাতীয় কাছে ইতিমধ্যে পরিচিতি অর্জন করেছেন। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গুলো ঐক্যবদ্ধ আলোচনার মাঝে সিদ্ধান্ত নয়। সাধারণ মানুষের বুঝতে বাকী নেই। জামায়াত ইসলামী বিএনপির রাজনৈতিক
ঐক্য দীর্ঘদিন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই সম্পর্ক
একেবারেই শত শত হাজারো রাজনৈতিক নেতা কর্মির রক্তের বন্দন। ক্ষমতা রাজনীতি দুটো দলের মাঝে পার্থক্য তৈরী করেছেন। গভীর গবেষণার দরকার দুটি রাজনৈতিক দলের? আওয়ামীলীগ কে রাজনৈতিক জীবন দিলে। বিএনপি জামায়াতের খতি হবে। যাদের রক্ত শহীদ কাফেলায় বাংলাদেশ স্বাধীন হলো তাদের খতি হবে। নির্মোহ কঠিন সত্য প্রকাশ হয় না? আমার লিখা প্রকাশ হবেনা। অসমাপ্ত।
রাষ্ট্রপতির উচিৎ হবে নিজেই সম্মান নিয়ে পদত্যাগ করে চলে যাওয়া! বিএনপি রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পদে বহাল রাখার পক্ষে (বিশেষ করে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য) এক পায়ে খাড়া ছিল। নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করার পর রাষ্ট্রপতিকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়ে যাচ্ছেন। কাজেই পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে আসলে দুকূলই রক্ষা পাবে বোধকরি!
সূত্র : মানবজমিন











































