
নাটোরের গুরুদাসপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র কের বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পৌর শহরের চাঁচকৈড় বাজারের রসুন হাটে এ ঘটনা শুরু হয়ে চলে রাত ১২টা পর্যন্ত। আহত হয়েছেন গুরুদাসপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল আজিজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুরুদাসপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান বাবলু ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকারের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে রাতে রসুনহাটে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা হাতাহাতি শুরু করেন, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালান।
শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকার মুঠোফোনে কালবেলাকে বলেন, ঘটনার রাতে প্রথমে চাঁচকৈড় খলিফাপাড়ায় ওষুধের দোকান ভাঙচুর করেছেন মশিউর রহমান বাবলুর অনুসারীরা। এ সময় ওই এলাকার লোকজন দলমত নির্বিশেষে প্রতিরোধ করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রসুন হাটে অবস্থিত তার রাজনৈতিক কার্যালয় এবং তার অনুসারীদের কয়েকটি দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে তারেক রহমানের ছবিসহ কয়েকটি ব্যনার।
মশিউর রহমান বাবলু জানান, চাঁচকৈড় বাজারে তার ‘চলনবিল ক্লিনিক’, রড-সিমেন্টের দোকান এবং আনন্দ নগর শিশু পার্কে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালিয়েছেন দুলাল সরকারের অনুসারীরা। কয়েকটি দোকানের সাটার হাসুয়া দিয়ে কোপানো হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার কালবেলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে এএসআই আবদুল আজিজ আহত হন। এ ঘটনায় বিএনপির দুইপক্ষের কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে পুলিশ বাদী হয়ে রাতেই অজ্ঞাত নামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।











































