
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মদাতি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম (বিপ্লব) জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই জেলগেট থেকে আবার আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে লালমনিরহাট জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি। তবে কারাগারের ফটকেই অবস্থানরত ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাকে আটক করে নিয়ে যান।পরে জানা যায়, আদিতমারী উপজেলার বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এমপি সাহেবের ৩০ শতাংশ বুঝাইয়া দিছেন: ইউপি চেয়ারম্যানকে বিএনপি নেতাএমপি সাহেবের ৩০ শতাংশ বুঝাইয়া দিছেন: ইউপি চেয়ারম্যানকে বিএনপি নেতা
এর আগে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সোমবার (১৬ মার্চ) লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী জাহাঙ্গীর আলমকে জামিন দেন। তবে জামিনের কাগজপত্র দেরিতে পৌঁছানোর কারণে সেদিন তিনি মুক্তি পাননি।
জাহাঙ্গীর আলমের ছোট ভাই ও আইনজীবী হুমায়ুন কবির জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও জেলগেটেই ডিবি পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তারা জানতে পারেন, নতুন একটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে, যেখানে তিনি এজাহারভুক্ত আসামি নন। একই দিন বিকেলে লালমনিরহাটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে আবার জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে, লালমনিরহাট ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, আদিতমারী থানা পুলিশের রিকুইজিশনের ভিত্তিতেই জেলগেট থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভিজিএফ কার্ডের বরাদ্দ নিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে সংসদ সদস্যের জন্য ‘থার্টি পারসেন্ট’ বরাদ্দ নিয়ে আলোচনার বিষয়টি উঠে আসে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতারা ওই অডিও তাদের নয় বলে দাবি করেছেন।












































