
নোয়াখালীর হাতিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনকে ঘিরে একটি কথিত অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে হাতিয়াজুড়ে কৌতূহল, আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে ইউএনওকে ঘিরে কিছু আপত্তিকর দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করছেন নেটিজেনদের একটি অংশ। ভিডিওটি দ্রুত বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও গ্রুপে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্যও করছেন।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশ বলছেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে হাতিয়ার বিভিন্ন স্থানে এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সব জায়গাতেই বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই জানতে চাইছেন ভিডিওটির প্রকৃত ঘটনা কী এবং এর পেছনের বাস্তবতা আসলে কী।
তবে ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেকে মনে করছেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হওয়ায় বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
সচেতন মহলের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ভিডিও বা তথ্য দ্রুত ভাইরাল হলেও তা যাচাই না করে প্রচার করা উচিত নয়। এতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত পটভূমি জানতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন হাতিয়ার সচেতন নাগরিকরা।













































