
বাগেরহাটের রামপালে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে মাইক্রোবাস ও নৌবাহিনীর বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ১২ জন সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) উপজেলার খুলনা-মোংলা মহাসড়কের শ্যাওলাবুনিয়ায় বেলাই ব্রিজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, নিহতদের ৪ জন নারী, শিশু ও কিশোর ৫ জন এবং পুরুষ রয়েছে ৪ জন। নিহত সকলের বাড়ি মোংলা উপজেলার শ্যাওলা বুনিয়া এলাকায়। নিহতদের মধ্যে ১২ জনই মোংলা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকসহ তার পরিবারের সদস্য। মাইক্রোবাসের ড্রাইভার মারা গেছেন।
নিহত ৯ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। বাকি ৪ জনের মরদেহ রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তিন নারীসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আরও ১৫ জন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, দ্রুতগতিতে চলাচলের সময় দুইটি যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ হলে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।











































