
সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে উপহার হিসেবে পাঠানো খেজুরের মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ নয়, বরং ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ ছিল। বরাদ্দের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট করেছে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত কিং সালমান হিউম্যানিটিরিয়ান অ্যাইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার দেয়া হয়। এসব খেজুর গত ১ মার্চ জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলার জন্য মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেজুর নিয়ে যেসব আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। প্রকৃত তথ্য হচ্ছে- গত ১ মার্চ ৭৩ (ক) নম্বর স্মারকের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক কুমিল্লা জেলার অনুকূলে ৫০০ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেয়া হয়।
পরবর্তীতে একই তারিখ ও স্মারকের ৫ মার্চ স্বাক্ষরিত সংশোধিত বরাদ্দপত্রে কুমিল্লা জেলার অনুকূলে ৫০০ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেয়া হয়। যা চালানের মাধ্যমে ৮ মার্চ সকাল ৯ টায় জেলা ত্রাণ গুদামে গ্রহণ করা হয়। ওইদিনই ১৭টি উপজেলার অনুকূলে ৫০০ কার্টুন খেজুর উপবরাদ্দ দেয়া হয়। যা বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নেতৃত্বে বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ হচ্ছে।
এর আগে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুরের মধ্যে কুমিল্লা জেলায় ২০ কার্টনের হিসাব মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার থেকে পাওয়া খেজুরের মধ্যে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের এলাকার বিভিন্ন কার্যক্রমের হিসাব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে তিনি জানান, দেবিদ্বার উপজেলায় ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়া গেছে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।











































