
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)–এর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমার হঠাৎ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট হওয়ায় নেটিজনদের মধ্যে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মুলত হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই জুমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ডিঅ্যাক্টিভেট।
সম্প্রতি নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে করা এক পোস্টে পুরো বিষয়টি তুলে ধরেন ফাতিমা তাসনিম জুমা। পোস্টে তিনি জানান,
হাদী হত্যাকাণ্ডের সত্য শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। শুরু থেকেই ফাতেমা তাসনিম জুমার যে মাস্টারমাইন্ড ভূমিকার কথা বলা হচ্ছিল, আজ তা দিবালোকের মতো পরিষ্কার। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল গ্রেপ্তার হওয়ার সাথে সাথেই জুমার আসল রূপ বেরিয়ে এসেছে। ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে সে মুহূর্তেই তার ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করেছে এবং মোবাইল সিম বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছে—যা তার অপরাধী হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
যে নারী এতদিন বিধবা সেজে শোকের নাটক করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের তদন্তে বাধা দিয়েছে, আজ তার এই ‘পালিয়ে যাওয়া’ প্রমাণ করে যে সে এবং তার পুরো গং এই খুনের সাথে সরাসরি জড়িত। সাংবাদিক মুক্তাদির রশিদের প্রতিবেদন এবং ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, তদন্তে বাধা প্রদানকারীদের তালিকায় জুমার নাম শুরু থেকেই শীর্ষে ছিল। জাবের এবং একটি নির্দিষ্ট মহলের সহযোগিতায় সে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে এই হত্যাকাণ্ডের নীল নকশা সাজিয়েছিল। আমরা স্পষ্টভাবে দাবি জানাচ্ছি, খুনি জুমার এই লুকোচুরি আর চলতে দেওয়া যাবে না। তাকে যেন কোনোভাবেই ‘সেইফ এক্সিট’ বা পালানোর সুযোগ দেওয়া না হয়। প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা। হাদীর খুনি ফাতেমা তাসনিম জুমা ও তার পুরো চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই এখন আমাদের মূল দাবি।
-বাংলাদেশ কপিপেস্ট প্রোপাগাণ্ডু দল।













































