
বৃহস্পতিবার ভোরে ইরান ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর ফলে লাখো মানুষকে বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হতে হয়। চলমান এই সংঘাত ইতোমধ্যে ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে।
এর আগে বুধবার ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে। একই দিনে শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে একটি মার্কিন সাবমেরিন ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালীর আশপাশে তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের ম্যারিটাইম ট্রেড অপারেশনস জানিয়েছে, কুয়েতের উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকারের আশপাশে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এই সংঘাতের প্রভাব জ্বালানি সরবরাহেও পড়ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় এলএনজি উৎপাদক কাতার গ্যাস রপ্তানিতে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে অন্তত এক মাস সময় লাগতে পারে।
অন্যদিকে জাহাজ চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। জাহাজ পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ম্যারিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, ইরাক, সৌদি আরব ও কাতারের উপকূলের কাছে অন্তত ২০০টির বেশি জাহাজ নোঙর করে অপেক্ষা করছে।











































