
পাকিস্তান সিরিজের পর প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তার বিদায়ের পর নতুন করে নির্বাচক প্যানেল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন নির্বাচক নিয়োগের লক্ষ্যে এরই মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বোর্ড। আগ্রহীদের আগামী ৮ মার্চের মধ্যে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে সম্ভাব্য নতুন নির্বাচক হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেননি কেউই!
দুজন নির্বাচক চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বিসিবি। আবেদনকারীদের যোগ্যতার পাল্লাও বেশ ভারীই হওয়া চাই বোর্ডের। জাতীয় দলের নির্বাচকদের জন্য বিসিবি জানিয়েছিল, আবেদন করতে প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ মিলিয়ে অন্তত ১০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি বিচারিক সক্ষমতা, ক্রিকেট বিশ্লেষণে দক্ষতা এবং কার্যকর যোগাযোগ ক্ষমতাও প্রয়োজন। নির্বাচকরা দুই বছরের জন্য নিয়োগ পাবেন। তাদের দায়িত্ব থাকবে জাতীয় দল ও ‘এ’ দলের খেলোয়াড় বাছাই করা এবং পাইপলাইনে থাকা সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের পর্যবেক্ষণে রাখা।
বিসিবির এমন শর্ত মেনেই এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন আবেদনও করেছেন। প্রধান নির্বাচক হিসেবে আলোচনায় আছেন হাবিবুল বাশার সুমন। যদিও তিনি এখনো আবেদনপত্র জমা দেননি। খুব শিগগির দেবেন বলেই শোনা গেছে। লম্বা সময় জাতীয় দলের নির্বাচকের ভূমিকায় ছিলেন। এবার প্রধান নির্বাচক হওয়ার দৌড়ে আছেন সাবেক এই অধিনায়ক। তবে সহকারী হিসেবে নারী দলের প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ শিপনের নাম শোনা গেলেও আপাতত এই পদে আবেদনে আগ্রহী নন তিনি।
আলোচনায় আছে জাতীয় দলের সাবেক ব্যাটার শামসুর রহমান শুভর নাম। বাংলাদেশের জার্সিতে ৬টি টেস্ট, ১০টি ওয়ানডে ও ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। এ ছাড়া ১৮৫টি লিস্ট ‘এ’ ও ১৬০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও আছে তার। বিপিএল ও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট মিলিয়ে আরও ১১২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এই তো কদিন আগেই সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। জাতীয় দলের সাবেক অভিজ্ঞ ব্যাটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নামও তুলছেন কেউ কেউ। তবে রিয়াদের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, আপাতত বিসিবির কোনো দায়িত্বে যোগ দিচ্ছেন না রিয়াদ। আরও এক মৌসুম প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে থাকার ভাবনা তার। সবমিলিয়ে জাতীয় দলের নির্বাচক হচ্ছেন কারা, সে আলোচনা এখনো চলমান। তবে প্রধান নির্বাচক হিসেবে বেশ এগিয়ে হাবিবুল বাশার।









































