
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মালে মোট কতটাকা জমা আছে এবং এসব টাকা ঠিক কি খাতে ব্যবহার করা হয় এসব বিষয় জামায়াতকে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান।
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্ট তিনি বলেন, সাধারন মানুষের আস্থা আর বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক। ফলে শুরু থেকেই আর্থিক লেনদেনে নির্ভরতার অন্যতম ভরসাস্থল হয়ে উঠে ব্যাংকটি। যে কারনে অন্যতম এই ব্যাংকটির শাখা ছড়িয়ে আছে সারাদেশে। যদিও আওয়ামী সরকারের আমলে ব্যাংকটিকে গিলে খেতে চেষ্টা করা হয়। দখলবাজি আর লুটপাটের পরও ইসলামি ব্যাংক টিকে আছে স্বনামে। গ্রাহকের আস্থা বিশ্বাসে বিন্দু পরিমান চির ধরাতে পারেনি।
তিনি বলেন, ইসলামি ভাবধারার কার্যক্রম, সাথে একচেটিয়া আস্থা আর বিশ্বাস ব্যাংকটির প্রতি, দিন-দিন গ্রাহক নির্ভরতা বাড়িয়েছে।
অথচ ব্যাংকটিতে বায়তুল মালের নামে বছরের পর বছর একটি দলের নামে নীরব চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিমাসে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন থেকে কেটে নয়া হয়, এই টাকা। হাতে এমন বেশ কিছু প্রমানও রয়েছে।
যাতে চট্রগ্রাম দক্ষিন জোন বায়তুল মালের জন্যে পরিচালিত একটি ব্যাংক স্টেটম্যান্টে ২০২৫ এর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা লেনদেনের প্রমান পাওয়া যায়। কারো কাছ থেকে পাঁচ হাজার, কারো কাছ থেকে দুই হাজার আবার কারো কাছ থেকে এক হাজার বা কমবেশি বায়তুল মালের নামে চাঁদা তোলা হয়েছে।
ব্যাংকের এসপিও আলতাফ উদ্দিন, এসএভিপি নাজিম উদ্দিন এবং এরশাদুল হকের নামে খোলা যৌথ একাউন্টে এই টাকা জমা করা হতো।
আরেকটি কাগজে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে মটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য টাকা নেয়ার প্রমান পাওয়া যায়।
এ নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ক্ষোভ থাকলে চাকরী এবং জীবনের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী হননি। তবে কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।
বায়তুল মালের নামে জামায়াতে ইসলামির জন্যে যে টাকা ওঠানো হচ্ছে সেটা বেশ কয়েকটি রশিদে উল্লেখ করা হয়েছে।
বায়তুল মালে মোট কতটাকা জমা আছে এবং এসব টাকা ঠিক কি খাতে ব্যবহার করা হয় দলটি সেটা প্রকাশ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা করছি।











































