
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ক্ষমতার শীর্ষে কে—তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র টানাপোড়েন। সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে দ্রুত নতুন নেতা নিয়োগ দিতে চাপ দিচ্ছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
কিন্তু ইরানের সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা Assembly of Experts। চলমান হামলার কারণে তাদের বৈঠক ডাকা সম্ভব নয় বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই সুযোগে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়েই নিয়োগ সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর নিরাপত্তা ও সামরিক কাঠামোর ভেতরে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। কমান্ড চেইনের কিছু অংশে ভাঙন, নির্দেশ আদান-প্রদানে বিঘ্ন এবং সমন্বয়হীনতার খবর মিলছে।
কিছু সামরিক কমান্ডার ও সদস্য নিজ নিজ ঘাঁটিতে রিপোর্ট করেননি বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। অব্যাহত হামলায় সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন আশঙ্কায় তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগ—আজ রোববার দিনের আলো ফোটার পর দেশজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব সংকট, সামরিক অস্থিরতা ও জনঅসন্তোষ—তিন দিক থেকেই চাপের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র।









































