
অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।
এই বার্তা দলীয় পর্যায়েও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামোইন, মাগুড়া, চাঁদপুর ও বরিশালে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে তৃণমূলেও সতর্কতা তৈরি হয়েছে।
জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব বা জোরজবরদস্তি নয়—আইনের শাসনই হবে অগ্রাধিকার।
রোববার পুলিশের সদ্য বিদায়ী মহাপরিদর্শক বাহরুল আলম মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন; এজন্য উর্ধ্বতন অনুমতির প্রয়োজন হবে না বলেও জানান।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের সেবায় কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তা সহ্য করা হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম মন্তব্য করেন, সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার যে নজির দেখাচ্ছে, তা ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঘোষণার পাশাপাশি ধারাবাহিক প্রয়োগই নির্ধারণ করবে—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের এই কঠোর অবস্থান কতটা স্থায়ী হয়।
সূত্র : জনকণ্ঠ










































