
হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জামিন পেয়েছেন এমন দাবিতে সম্প্রতি ফেসবুকে বেশ কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। এসব পোস্টের সঙ্গে ব্যারিস্টার সুমনের কিছু ছবিও যুক্ত করা হয়।
জামিন পাওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া বলে শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।
ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ব্যারিস্টার সুমন জামিন পেয়েছেন এমন দাবিতে সম্প্রতি ফেসবুকে বেশ কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। এসব পোস্টের সঙ্গে ব্যারিস্টার সুমনের কিছু ছবিও যুক্ত করা হয়েছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে সংবাদমাধ্যম সূত্রে তার জামিনের খবর পাওয়া যায়নি এবং ছবিগুলো এআই দিয়ে বানানো অথবা পুরোনো।
হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ওরফে ব্যারিস্টার সুমন গ্রেফতার হন ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর। পুলিশ জানায়, বোনের বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রাজধানীর মিরপুর ৬ নম্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমে এটি একটি আলোচিত খবর ছিল।
এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার জামিন হয়েছে মর্মে কিছু ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। এই সূত্র ধরে মূলধারার সংবাদমাধ্যমে অনুসন্ধান করে এ সংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত বছরের জানুয়ারিতে; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুর থানার দুই হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার এক হত্যা মামলায় হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোর সঙ্গে জেলখানার গেটে গলায় ফুলের মালা দেওয়া ব্যারিস্টার সুমনের যে ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ছবিতে থাকা দুটি ব্যানারে বানান বিভ্রাট রয়েছে। এ ধরনের বিভ্রাট এআই দিয়ে বানানো ছবিতে দেখা যায়। এছাড়া, এআই শনাক্তকারী টুল হাইভ মডারেশন দিয়ে সেটিকে ১০০% কৃত্রিম হওয়ার সম্ভাবনা পাওয়া যায়। কাজেই জামিন পাওয়ার পর তাকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানানোর ইঙ্গিত সত্য নয়।
কাজেই সবদিক পর্যালোচনা করে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন হওয়ার দাবিটির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। ফলে সঙ্গত কারণে, ভিত্তিহীন এ ধরনের ফেসবুক পোস্টগুলোকে মিথ্যা সাব্যস্ত করছে ফ্যাক্টওয়াচ।
সূত্র: কালবেলা












































