
ভারতের বিমানবন্দরে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করেছিল বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে। এ বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন তিনি।
দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফেসবুক লাইভে এসে মাহদী বলেন, ‘বাংলাদেশ, আই অ্যাম সেফ নাউ!’
লাইভে মাহাদী বলেন, ‘আমার সাথে যেসব ঘটনা ঘটেছে, আমি বাংলাদেশে এসে প্রেস কনফারেন্স করে আমাকে বলতে হবে। আমার সাথে যেসব অকারেন্স হয়েছে। এখানে প্রায় ৪০ মিনিটের মতো আমাকে পুলিশ কাস্টডিতে আটকে রাখা হয়েছিল। আমাকে খুবই বাজে অ্যাপ্রোচ করা হয়েছে এবং তারা আমাকে জেলে দিতে চেয়েছিল। আই ডোন্ট নো আমি কী করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি সঠিক কি না, সেটা যাচাই করার জন্য বলেছি। তারা কেউ কিছু শোনেনি।তারা আমার সাথে বাজে আচরণ করেছে। আমাকে এখন রিলিজ করা হয়েছে। ইমার্জেন্সিতে আমাকে ইমিগ্রেশন দেওয়া হয়েছে। আমার ১২টা ৪০-এ ফ্লাইট।’
পুলিশ হয়রানি করেছে অভিযোগ তুলে মাহদী বলেন, ‘আমি এখন সেফে আছি, তাদের সাথে কথা বলেছি। এখন তারা বলছে তারা নাকি ভুল মানুষকে ধরেছে। কিন্তু একজন পুলিশ সদস্য আমাকে শারীরিকভাবে হয়রানি করেছে। এসব আমি বাংলাদেশে এসে বলব, একজন ইন্টারন্যাশনাল প্যাসেঞ্জারের সাথে এগুলো করা উচিত কিনা। থ্যাংক ইউ, আই এম সেফ নাউ।’
এর আগে গত জানুয়ারিতে হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার ওসিকে হুমকি দেওয়ায় মাহদী হাসানকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে আন্দোলনের মুখে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।









































