প্রচ্ছদ জাতীয় মজা করলেও রাকিব ভাইয়ের ভিডিওটা আমাকে যথেষ্ট হার্ট করেছে: এবি জুবায়ের

মজা করলেও রাকিব ভাইয়ের ভিডিওটা আমাকে যথেষ্ট হার্ট করেছে: এবি জুবায়ের

আজকে তারেক রহমান বা জুবাইদা রহমান যেই চেয়ারে বসে আছে, মুক্ত পরিবেশে সেই চেয়ারে বসে নির্বাচনী সমাবেশ করার সুযোগটা এই রাকিব ভাইরাই তৈরি করেছে। ছাত্রদলের আবিদ ভাই, হামিম ভাই, মানসুরা আপুরাই দিনের পর দিন ফ্যা’সিস্টের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথের লড়াইটা চালিয়ে গিয়েছে। জেল-জুলুম নিপীড়নের শিকার হইসে, কিন্তু দেশের মাটি ছাড়ে নাই।

অথচ আজকে দেখেন তারেক রহমানের পায়ের কাছে একটু বসতে পারাটাই রাকিব ভাইয়ের কাছে একটা বিরাট অর্জন হিসেবে গণ্য। আবিদ ভাইকে ঠিকই জাইমা রহমানের সামনে কুর্নিশ করতে হয়! তারেক রহমান জাস্ট নাম ধরে ডেকেছেন এইটাই হামিম ভাইয়ের কাছে সারাজীবনের জন্য একটা অর্জন!

আল্লাহ না করুক, আমাদের দেশটা যদি আবারো ফ্যাসিস্টের কবলে পড়ে তখন তারেক রহমান আবার তার পরিবার নিয়ে লন্ডনের বিলাসবহুল জীবনেই ফিরে যাবেন কিনা আমার জানা নাই। কিন্তু আবিদ, হামিম, রাকিব, নাসির, আমান, মানসুরা আপুদেরকে আমি ঠিকই আমার রাজপথের সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে পাবো। এইটুকু বিশ্বাস আমার আছে।

আমি তারেক রহমানকে ছোট করছি না৷ পরিবারতন্ত্রের সামনে বিপ্লবীদের অসহায় আত্মসমর্পণের করুণ বাস্তবতাটা তুলে ধরছি জাস্ট! এই যে রাজার ছেলে রাজা হওয়ার নীতি, দলীয় চেইন অব কমান্ডের ঊর্ধ্বে উঠে নেতার পরিবার প্রায়োরিটি পাওয়ার আজব সিস্টেম, এই সিস্টেমের উলঙ্গ দিকটা তুলে ধরছি। সুপ্রিম প্লেসে আসার ক্ষেত্রে যোগ্যতার প্রশ্নে বছরের পর বছর রাজপথে মা’র খাওয়ার সংগ্রামটা জাস্ট “নেতার পরিবারের সদস্য” এই যোগ্যতার সামনে নিমিষেই নাই হয়ে যাচ্ছে সেই করুণ দিকটা তুলে ধরছি।
আহ পরিবারতন্ত্র!

এই অভিশাপ থেকে কি আমার সোনার বাংলা কখনোই মুক্তি পাবে না?