
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডিপি)–এর চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম। তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রামগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন নির্বাচনী সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। তিনি বলেন, “লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে শাহাদাত হোসেন সেলিমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ধানের শীষ প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নিতে বলা হয়েছে।”
বিএনপি সূত্র জানায়, বিএনপির জোটের শরিক হওয়ায় এবং স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনায় রেখে সেলিমকে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বিএলডিপি দলের কোনো স্বতন্ত্র নিবন্ধন না থাকার ফলে সেলিম এবারও বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষে’ নির্বাচন করবেন। দলীয় জোটের সমন্বয়ের অংশ হিসেবে তাঁকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রচারণার স্বাধীনতা ও পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত ৩ নভেম্বর বিএনপি যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল, সেখানে লক্ষ্মীপুর-১ আসনটি খালি রাখা হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলে তখন থেকেই ধারণা ছিল ২০১৮ সালের মতো এবারও রামগঞ্জ আসনে বিএনপি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে প্রার্থিতা দেবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনটি বিএনপি সেলিমের জন্য ছেড়ে দিয়েছিল। সে নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছিলেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রামগঞ্জ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে পুনরায় তাঁকে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন মাঠে নামানো হলে এলাকায় নতুন রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। সেলিমের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, জোট রাজনীতিতে তার ভূমিকা এবং স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর সক্রিয়তা এবার নির্বাচনী হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এদিকে মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর শাহাদাত হোসেন সেলিমের সমর্থক ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নামার প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু করেছেন তারা।
সূত্র : জনকণ্ঠ












































