প্রচ্ছদ জাতীয় কথা একটাই- ডাকসু থাকবে, নতুবা অবৈধ ব্যবসা-মাদক সিন্ডিকেট থাকবে

কথা একটাই- ডাকসু থাকবে, নতুবা অবৈধ ব্যবসা-মাদক সিন্ডিকেট থাকবে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ভবঘুরে ও অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে ডাকসু প্রতিনিধি, প্রক্টরিয়াল টিম, সিটি কর্পোরেশন পুলিশ ও মেট্রোরেলের সদস্যরা অংশ নেন।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে হকারদের বিক্ষোভ মিছিল করতে দেখা গেছে। বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোও হকারদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মিছিলে যোগ দেয়।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) জিএস এস এম ফরহাদ হকারদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। শনিবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, হয় ডাকসু থাকবে, নতুবা অবৈধ ব্যবসা-মাদক সিন্ডিকেট থাকবে; দুটো একসাথে চলতে দেব না।

তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরও বলেন, ক্যাম্পাসের স্টেকহোল্ডার হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী। এর বাইরে কোনো মাদক ব্যবসায়ী, অনিবন্ধিত দোকানদার কিংবা হকারদের কোনো ইস্যুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। বহিরাগত উচ্ছেদে যাদের পুরনো মাদক ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের সিন্ডিকেট ভেঙে যাচ্ছে, তারা আজ নতুন বয়ান হাজির করার চেষ্টা করল এবং মিছিলেরও আয়োজন করল।

ফরহাদ জোর দিয়ে বলেন, কথা একটাই-হয় ডাকসু থাকবে, নতুবা অবৈধ ব্যবসা-মাদক সিন্ডিকেট থাকবে; দুটো একসাথে চলতে দেবো না।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বামপন্থি সংগঠন ‘শিক্ষক নেটওয়ার্ক’-এর নেত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা এ ঘটনার সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্র কোথায় পাওয়া যায়? এছাড়া তিনি অভিযোগ তোলেন, ডাকসুর নামের আড়ালে অন্যায় কাজ হচ্ছে কি না।

তাঁর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ফেসবুকে পাল্টা প্রশ্ন তুলেন। মুসাদ্দিক দাবি করে বলেন, শিক্ষক নেটওয়ার্কের যদি কোনো গঠনতন্ত্র থাকে, তা শেয়ার করতে বলি-দেখতে চাই সেখানে কোথায় লেখা আছে যে ক্যাম্পাসে গাঁজা-দোকান, মাদক, ভবঘুরে ও অনিবন্ধিত বহিরাগতদের আশ্রয় দিতে হবে।