প্রচ্ছদ জাতীয় শিক্ষকদের পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কলার ধরা আম্মার রাকসুর জিএস

শিক্ষকদের পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কলার ধরা আম্মার রাকসুর জিএস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছে সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার।

রাকসুতে আম্মারের জয় থেকে রাজনীতির নতুন পাঠ-

আম্মার মূলত গুন্ডামির কারণে ছাত্র ছাত্রীদের সমর্থন পেয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে ছাত্রদল তো আরো বড় গুন্ডা। ছাত্রদল কেন ভোট পায় না?

কারণ ছাত্রদল কোন ভালো কাজে গুন্ডামি করে না। তারা গুন্ডামি করে টেম্পুস্টান্ড দখলে। অপর দিকে আম্মার শিক্ষকদের কলার ধরেছে পোষ্য কোটা ইস্যুতে। সাধারণ ছাত্র ছাত্রীরা পোষ্য কোটাকে ভালভাবে দেখে না। কারণ মানুষ মাত্রই হিংসুক। যখন একটা ছেলে দেখে যে আমি পড়ালেখা করে চান্স পাচ্ছি, আর কেও বাপের যোগ্যতায় পাস নাম্বার পেয়ে ভর্তি হয়েছে তখন তার খারাপ লাগে। এই খারাপ লাগা আরো বেড়ে যায় যখন তারা দেখে যে , পাস নাম্বার পেয়ে ভর্তি হওয়া ছেলেটি আবার ডিপার্টমেন্টে ফার্স্ট হচ্ছে, বাপের যোগ্যতায় টিচার হচ্ছে।

আম্মার যখন শিক্ষকদের পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, শিক্ষকদের পিটিয়েছে, তখন শিবির ওই স্তরে নামতে পারে নাই। তাছাড়া জামাতের শিক্ষকরা পোষ্য কোটার পক্ষে থাকায়, শিবির পড়েছে মানকার চিপায়। একদিকে ছাত্র-ছাত্রীরা কোটার বিরুদ্ধে, অন্যদিকে শিক্ষকরা পক্ষে। এই কারণে কোটা বিরোধী আন্দোলনে শিবিরের ভূমিকা ছিল কুসুম কোমল।

অপর দিকে রাবির বংগবন্ধু খ্যাত, আম্মার ঠিকই শিক্ষকদের পিটিয়ে সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের মন জয় করে নিয়েছে।

এটা থেকে রাজনীতির পাঠা কি ?

পাঠ হলো- আপনি কি করছেন, সেটা কতটা নৈতিক , তা ব্যাপার না। মূল ব্যাপার হল আপনার কাজটা কি গণ মানুষের আবেগের পক্ষে যায় কি না? যদি পক্ষে যায় তবে আপনার অনৈতিক কাজও আপনাকে রবিনহুডের মতো হিরো বানাবে।

ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত