
নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই গত ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। ২৩ সদস্যের এই কমিশন কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য মোট ২০টি বেতন স্কেল প্রস্তাব করেছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে কয়েকজন উপদেষ্টার মতে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধু সরকারি কর্মচারীদের বেতন বড় পরিসরে বাড়ানো বৈষম্য সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে সাধারণ মানুষের সীমিত আয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকারি তহবিলের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয় বলে তারা মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
গতকাল এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, এখনো বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। কমিটি গঠনের পরই বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বাড়তি অর্থের উৎস কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি।
উপদেষ্টা পরিষদের সর্বশেষ বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠনের কথা থাকলেও তা গঠন করা হয়নি। ফলে বর্তমান সরকারের মেয়াদে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।










































