প্রচ্ছদ জাতীয় দুর্গন্ধ ছড়াতে একই ফ্রেমে বন্দি টয়লেট-হারপিক! নেটজুড়ে হাস্যরস

দুর্গন্ধ ছড়াতে একই ফ্রেমে বন্দি টয়লেট-হারপিক! নেটজুড়ে হাস্যরস

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন খ্যাতি পেয়েছেন ‘টয়লেট’ হিসেবে। আরেকজন পেয়েছেন ‘হারপিক’। খুনি হাসিনার চামচামি ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর সব ষড়যন্ত্র করতে গিয়েই মূলত তারা এই উপাধি জয় করেছেন। এদের একজনের বাড়ি এপার বাংলায়। অপরজনের ওপার বাংলায়। তাদের অসভ্য, উদ্ভট ও ঘেউ ঘেউ টাইপের কথাবর্তা ও গর্হিত কর্মকাণ্ডে সীমান্তের উভয় পাশের মানুষই চরম অতিষ্ট।

দুই বাংলার দুই জনধিকৃত ব্যক্তিকে এবার দেখা গেল একই ফ্রেমে। আবার গর্ব করে নিজেদের ফেসবুক আইডিতে সেই ছবি পোস্টও করেছেন নির্লজ্জতায় রেকর্ড গড়া দুই বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষরুপী কালো শকুন। একজন জনরোষ থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে প্রভুদেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। অপর জন নিজ দেশে বসবাস করলেও ক’দিন পরপর তাকে দৌড়ানি দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। হাসিনাপ্রেমী দুই কুলাঙ্গার এখন উভয় বাংলার বিনোদনের খোরাক।

সম্প্রতি বাংলাদেশি পরিচয় দিতে ঘৃণা বোধ করা ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার এবং পশ্চিমবঙ্গের হকার সাংবাদিক খ্যাত ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ক্যামেরায় একই ফ্রেমে বন্দি হয়। ফ্যাসিস্ট হাসিনার কুখ্যাত দুই দোসর তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি পোস্ট করার পর এই যৌথ ছবি নিয়ে ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে নেটজুড়ে। অনেকেই লিখেছেন, তারা দুর্গন্ধ ছড়াতে এসে একই ফ্রেমে বন্দি হয়েছেন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন কোনো প্রোপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, নিঝুম মজুমদার তাকে বলেছেন, এই ছবিটি বাংলাদেশের “জাতীয় ভাইরাল ছবির” মর্যাদা পাবে এবং এটি দেখে “অনেক জায়গায় চিড়-বিড় বাড়বে”। তার এই পোস্টের নিচে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন।

অন্যদিকে, ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার একই ছবিটি পোস্ট করে লেখেন, ‘আবার আপলোড দিলাম। লাগতেছে? তাইলে ঠিকই আছে।’ তবে তিনি তার পোস্টের মন্তব্য বিভাগ বন্ধ করে দেন।

এই দুই ব্যক্তিকে এরআগেও বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হতে দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তাদের উভয়কেই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্যের জন্য ট্রল ও কটাক্ষ করে থাকেন। এই যৌথ ছবিটি সেই বিতর্কের নতুন একটি অংশ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এদিকে, ময়ূখের টয়লেট উপাধি নিয়ে জানা যায়, একবার ভারতের কলকাতার ‘রিপাবলিক বাংলা’র এক টকশোতে বাংলাদেশের গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সচিব মো: তারেক রহমানের যুক্তির কাছে বিধ্বস্ত হয়ে সে পলায়ন করে। মলম ও হকার সাংবাদিক খ্যাত ফ্যাসিস্ট হাসিনার এই দোসরের শোচনীয় পরাজয়ের ভিডিও সেসময় ভাইরাল হয়।

টকশোতে তারেক রহমান বলেন, আমাদের বাংলাদেশ আমরাই চালাব। ভারত নিজেদের চরকায় তেল দিক। যারা নিজেদের টয়লেটের সমস্যাই সমাধান করতে পারে না তারা কেন বাংলাদেশকে নিয়ে নাক গলায়।তারেক যুক্তি দিয়ে আরো বলেন, আমার বাসায় তিনটা টয়লেট আছে। আমাকে দেখান তো, আপনার অফিসে অন্তত একটা টয়লেট আছে কিনা? এমন সব যুক্তির কাছে ধরাশায়ী হয়ে পলায়ন করেন ওই মলম সাংবাদিক। এরপর থেকেই ময়ূখের নামের পাশাপাশি টয়লেট উপাধিটি উচ্চারিত হয়ে আসছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন খ্যাতি পেয়েছেন ‘টয়লেট’ হিসেবে। আরেকজন পেয়েছেন ‘হারপিক’। খুনি হাসিনার চামচামি ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর সব ষড়যন্ত্র করতে গিয়েই মূলত তারা এই উপাধি জয় করেছেন। এদের একজনের বাড়ি এপার বাংলায়। অপরজনের ওপার বাংলায়। তাদের অসভ্য, উদ্ভট ও ঘেউ ঘেউ টাইপের কথাবর্তা ও গর্হিত কর্মকাণ্ডে সীমান্তের উভয় পাশের মানুষই চরম অতিষ্ট।

দুই বাংলার দুই জনধিকৃত ব্যক্তিকে এবার দেখা গেল একই ফ্রেমে। আবার গর্ব করে নিজেদের ফেসবুক আইডিতে সেই ছবি পোস্টও করেছেন নির্লজ্জতায় রেকর্ড গড়া দুই বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষরুপী কালো শকুন। একজন জনরোষ থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে প্রভুদেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। অপর জন নিজ দেশে বসবাস করলেও ক’দিন পরপর তাকে দৌড়ানি দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। হাসিনাপ্রেমী দুই কুলাঙ্গার এখন উভয় বাংলার বিনোদনের খোরাক।

সম্প্রতি বাংলাদেশি পরিচয় দিতে ঘৃণা বোধ করা ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার এবং পশ্চিমবঙ্গের হকার সাংবাদিক খ্যাত ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ক্যামেরায় একই ফ্রেমে বন্দি হয়। ফ্যাসিস্ট হাসিনার কুখ্যাত দুই দোসর তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি পোস্ট করার পর এই যৌথ ছবি নিয়ে ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে নেটজুড়ে। অনেকেই লিখেছেন, তারা দুর্গন্ধ ছড়াতে এসে একই ফ্রেমে বন্দি হয়েছেন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন কোনো প্রোপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, নিঝুম মজুমদার তাকে বলেছেন, এই ছবিটি বাংলাদেশের “জাতীয় ভাইরাল ছবির” মর্যাদা পাবে এবং এটি দেখে “অনেক জায়গায় চিড়-বিড় বাড়বে”। তার এই পোস্টের নিচে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন।

অন্যদিকে, ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার একই ছবিটি পোস্ট করে লেখেন, ‘আবার আপলোড দিলাম। লাগতেছে? তাইলে ঠিকই আছে।’ তবে তিনি তার পোস্টের মন্তব্য বিভাগ বন্ধ করে দেন।

এই দুই ব্যক্তিকে এরআগেও বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হতে দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তাদের উভয়কেই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্যের জন্য ট্রল ও কটাক্ষ করে থাকেন। এই যৌথ ছবিটি সেই বিতর্কের নতুন একটি অংশ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এদিকে, ময়ূখের টয়লেট উপাধি নিয়ে জানা যায়, একবার ভারতের কলকাতার ‘রিপাবলিক বাংলা’র এক টকশোতে বাংলাদেশের গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সচিব মো: তারেক রহমানের যুক্তির কাছে বিধ্বস্ত হয়ে সে পলায়ন করে। মলম ও হকার সাংবাদিক খ্যাত ফ্যাসিস্ট হাসিনার এই দোসরের শোচনীয় পরাজয়ের ভিডিও সেসময় ভাইরাল হয়।

টকশোতে তারেক রহমান বলেন, আমাদের বাংলাদেশ আমরাই চালাব। ভারত নিজেদের চরকায় তেল দিক। যারা নিজেদের টয়লেটের সমস্যাই সমাধান করতে পারে না তারা কেন বাংলাদেশকে নিয়ে নাক গলায়।তারেক যুক্তি দিয়ে আরো বলেন, আমার বাসায় তিনটা টয়লেট আছে। আমাকে দেখান তো, আপনার অফিসে অন্তত একটা টয়লেট আছে কিনা? এমন সব যুক্তির কাছে ধরাশায়ী হয়ে পলায়ন করেন ওই মলম সাংবাদিক। এরপর থেকেই ময়ূখের নামের পাশাপাশি টয়লেট উপাধিটি উচ্চারিত হয়ে আসছে।

এরআগে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনে মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়া নিঝুম মজুমদার ভারতীয় একটি মিডিয়ার টকশোতে অংশ নিয়ে ভারতকে খুশি করতে বাংলাদেশকে অত্যন্ত বাজেভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও বিষোদগার করে। এতে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হন নেটিজেনরা। মানসিক ভারসাম্যহীন নিঝুমের সেই পুরো বক্তব্যই ছিল প্রকাশ্য রাষ্ট্রবিরোধী।

আপদমস্তক ভারতীয় এই সেবাদাস বলেছিল, ‘‘বাংলাদেশিদের কোন আত্মমর্যাদা নাই। তারা যে পাতে খাই সেই পাতে হাগে‌। এদের কোন ইতিহাস নাই।এদের কোন জাত পরিচয় নাই। আমি ঘৃণাবোধ করি যে, আমি এই দেশে জন্মেছি। এরা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ঘুরবে, দুদিন পরে দুর্ভিক্ষ হবে।’’

প্রকাশ্যে রাষ্ট্রবিরোধী ঘোষণা দিয়ে সে আরও বলে, ‘‘অস্ত্র হাতে নামতে হবে। এখানে গেরিলা যুদ্ধ করতে হবে। প্রশিক্ষণ নিতে হবে।’’ সেই যুদ্ধে সাহায্য করার জন্য ভারতকে আহ্বান জানায় সে।

সমালোচকরা বলছেন, কোনও সুষ্ঠু-স্বাভাবিক গণমাধ্যম ‘ঘেউ ঘেউ’ স্বভাবের নিঝুমকে টকশোতে আমন্ত্রণ করতে পারে না। কারণ টকশোতে গেলেই সে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। তার ভেতরে শয়তানের সমস্ত বেশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে।

আগ্রাসী রাষ্ট্র ভারতের সেবায় নিজের জীবন-যৌবন উজাড় করে দেয়া এই রাষ্ট্রদ্রোহীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে নেটাগরিকরা বলছেন, হারপিক মজুমদারের মুখ থেকে সবসময় টয়লেটের দুর্গন্ধ বেরিয়ে আসে! সুষ্ঠু মস্তিষ্কে একজন বাঙালি এরকম কথা বলতে পারে না। আয়ারল্যান্ডের সেই মডেলের কাছে সেকা খাওয়ার পর থেকে মানষিক ভাবে ভারসাম্যহীন অবস্থায় আছে… ।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ-বিরোধী অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়িয়ে আসছেন কলকাতার বিতর্কিত সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে সংবাদ উপস্থাপন করায় সম্প্রতি দর্শকমহলের নজরে আসেন তিনি। অনেকেই তার উপস্থাপনাকে অতিরঞ্জিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে তাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যঙ্গ ভিডিও বানানো হয়।