
জামায়াতের বিবৃতি নিয়ে দেখলাম যথেষ্ট সমালোচনা হচ্ছে!
গতকাল নুরের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে ফখরুল যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেখানে কি সেনাবাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শব্দটি ব্যবহার হয়েছে? তারেক রহমানও বিবৃতি দিয়েছেন সেখানেও কি এমন কোন শব্দ আছে?
উত্তর একটাই না, নেই। কারণ খুব স্পষ্ট, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো বিবৃতি দেয়া মানেই জরুরি অবস্থার পথ উন্মুক্ত করা। এতে নিঃসন্দেহে সেনাবাহিনী ক্যু করবে। এজন্যই সব রাজনৈতিক দলই বিবৃতিতে শব্দচয়ন খুব সতর্কভাবে করেছেন।
আর জামায়াতের অবস্থা তো আরও ভিন্ন। জামায়াতের শত্রু চারপাশেই, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, মিডিয়া, আন্তর্জাতিক সব দিক থেকেই শত্রু। এর মধ্যে সেনাবাহিনীকে শত্রু বানানো মানে নিজেদের হাতেই নিজেদের রাজনীতি শেষ করে দেয়া।
সমস্যা হলো, আমাদের ভেতরে রাজনৈতিক বিচক্ষণতার অভাব ভয়ংকরভাবে প্রকট। জামায়াতের কোন পদক্ষেপ আমাদের কারও ভালো না লাগলেই আমরা সমালোচনা শুরু করি। অথচ দিন শেষে দেখা যায়, জামায়াতের পদক্ষেপই ছিল সঠিক ও দূরদর্শী।
তাই অনুরোধ নিজেদের গালে নিজেরাই থাপ্পড় মারা বন্ধ করুন।
নুরের উপর সেনাবাহিনীর হামলাকে কেউ সাধারণ ঘটনা ভেবে বসবেন না। এটা একজন রাজনৈতিক দলের প্রধানের উপর হামলা যা নিছক আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী সব দলকেই একটি স্ট্রং ম্যাসেজ দিয়েছে আওয়ামী লীগ ফিরবে, এবং তাদের ফিরিয়েই আনা হবে। হোক নিজ দলের নামে কিংবা ভিন্ন কোন নামে। প্রয়োজনে জাতীয় পার্টির ঘাড়ের উপর বসিয়ে।
কিছুদিন আগেই বলেছিলাম, নির্বাচন হোক বা না হোক, সামনে আরও অনেক ঘটনা ঘটবে। গতকালকের ঘটনাই তার এক ঝলক মাত্র।