
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জ–৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর) আসনে এগারো দলীয় জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনের বাড়িতে নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেওয়া নারী কর্মীদের ওপর সুমন, রুবেল, সবুজসহ কয়েকজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং ভৈরব পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির পদধারী নেতাকর্মীরা নৃশংস ও নিন্দনীয় হামলা চালিয়েছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, হামলাকারীরা মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনের বোনের ওপর শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা চালায় এবং তার স্বামীকে মারাত্মকভাবে আহত করে। স্থানীয় মানুষের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বললেও এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও হতাশাজনক। তার অভিযোগ, আসন্ন পরাজয়ের আশঙ্কায় স্থানীয় বিএনপির সন্ত্রাসী চক্র পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রিকশা প্রতীকের প্রার্থীদের ওপর প্রতিপক্ষের লোকজন ধারাবাহিকভাবে হামলা চালাচ্ছে। ফরিদপুর–২ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলীর গাড়িতে প্রকাশ্যে হামলার ঘটনাও ঘটেছে, যা প্রমাণ করে একটি কুচক্রী মহল সারা দেশে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে চায়।
তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় এর দায় রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।








































