
সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গোপন ফাইল। যেটিকে বলা হচ্ছে যৌন অপরাধ, ক্ষমতা ও গোপন আন্তর্জাতিক যোগাযোগের এক অন্ধকার অধ্যায়ের নাম। সেই এপস্টেইন ফাইলে পাওয়া গেছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম। এ ছাড়া পাওয়া গেছে ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর নামও।
গবেষণা, দাতব্য প্রকল্প, জলবায়ু উদ্বাস্তু, রাজনীতি থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক যোগাযোগ—সব মিলিয়ে জেফরি এপস্টেইনের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের উপস্থিতি ছিল বিস্ময়করভাবে বিস্তৃত।
একটি ই-মেইলে বলা হয়, একটি বৈঠকের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তখন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাত ৮টায় বৈঠকে ছিলেন।
‘ট্রাম্পকে খুশি করতে ইসরায়েলে গিয়ে নেচেছেন মোদি’
আরেক নথিতে দেখা যায়, এপস্টেইন বিকাশ নিয়ে একটি নিবন্ধ পড়েন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বহু প্রবন্ধও সংগ্রহ করতেন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, একজন নরওয়েজিয়ান কূটনীতিক এপস্টেইনকে নিয়মিত বিভিন্ন প্রবন্ধ পাঠাতেন। সেগুলোর মধ্যে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবরও থাকত।
এপস্টেইন ফাইলস কী?
এই দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারের প্রক্রিয়ায় তার সম্পত্তিতে বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র, ই-মেইল, ছবি এবং ভিডিও উদ্ধার করা হয়। এই নথিপত্রগুলোকে ‘এপস্টেইন ফাইলস’ বলা হয়। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি, ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যা এপস্টেইনের মানি-লন্ডারিং ও যৌন পাচারের সাথে জড়িত সকল তথ্য উপস্থাপন করে।
নথিপত্রে কী আছে?
কারাগারে থাকা অবস্থায় এপস্টেইনের মানসিক মূল্যায়ন, তার মৃত্যুর তথ্য ও রহস্য, তার সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত ও দোষ স্বীকার, বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও এপস্টেইনের ই-মেইল যোগাযোগ, যা প্রমাণ দেয় যে আইনি ঝামেলার মধ্যেও তিনি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।








































