প্রচ্ছদ জাতীয় আদালতে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগান

আদালতে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগান

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ মামলার আসামিদের আদালতে তোলার সময় আওয়ামীপন্থি একদল আইনজীবী ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় তারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের ঘোষণা দেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর আদালতের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এসময় স্লোগান দেন অ্যাডভোকেট মো. গোলাম রাব্বানী ও অ্যাডভোকেট প্রতাপ বাড়ৈসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। উপস্থিত সাংবাদিকদের তারা বলেন, “আওয়ামী লীগের মতো বড় দলকে বাইরে রেখে কোনও নির্বাচন হতে পারে না। আমাদের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে। এই প্রহসনের নির্বাচন দেশের মানুষ বয়কট করেছে, আমরাও মানি না।”

এদিন ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ৩০ জন আসামিকে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়।

মামলাটির চার্জ গঠনের (অভিযোগ গঠন) অবশিষ্ট শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকলেও সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক ছুটিতে থাকায় ঢাকার ভারপ্রাপ্ত বিশেষ জজ মো. রবিউল ইসলাম পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ২ মার্চ ধার্য করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন এবং রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেন।

এই ঘটনায় গত বছরের ২৭ মার্চ সিআইডির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বর্তমানে শেখ হাসিনাসহ ২৬১ জন আসামি পলাতক রয়েছেন এবং ৩০ জন কারাগারে আটক আছেন। উল্লেখ্য, এই মামলার প্রেক্ষিতেই গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।