প্রচ্ছদ আর্ন্তজাতিক সেদিন কোথায় ছিলেন পিটার হাস?

সেদিন কোথায় ছিলেন পিটার হাস?

পিটার হাস বর্তমানে এক্সালারেট এনার্জি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর একবারের জন্যও বাংলাদেশে যাননি পিটার।

এদিকে এনসিপি বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়েছে যে পিটার হাস যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। এটি এমন চরম মিথ্যাচার, যা আমাদের গণমাধ্যমের ভয়াবহ অবস্থাকে প্রতিফলিত করে।

এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বাংলা সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের যে কথা বলা হচ্ছে সেটি গুজব এবং ভিত্তিহীন।

ভুয়া যাত্রী তালিকা

শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ এএফপিকে বলেছেন, যে ভিআইপি যাত্রীদের তালিকা ছড়ানো হয়েছে এটি ‘সম্পূর্ণ ভুয়া’। কাগজটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি জাল ও নকল।

যে বা যারা এটি বানিয়েছে, তারা কাগজের শুরুতেই ভুল লিখেছে। তারা অফিসিয়াল নাম ‘বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের’ জায়গায় লিখেছে ‘বাংলাদেশ বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ’। অর্থাৎ ‘বেসামরিকের’ জায়গায় লিখেছে ‘বেসরকারি’।

কাগজে শাহরিয়ার চৌধুরী নামে একজনের নাম দেওয়া হয়েছে। যাকে উল্লেখ করা হয়েছে বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক হিসেবে। কিন্তু বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের তালিকায় এমন কারও নামই নেই।

এ ছাড়া ওই কাগজে বলা হয় এমিরেটসের ফ্লাইট ৫৮৩ গত ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে গেছে। কিন্তু ওই দিন এই ফ্লাইট সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করে।

এ ছাড়া অন্য যেসব ফ্লাইটের তথ্য ছিল, সেগুলোতেও ভুল পাওয়া গেছে। এমনকি এতে উল্লিখিত যাত্রীদের নামের বানান ভুল করা হয়েছে। পদবিতেও উল্লেখ করা হয়েছে ভুল তথ্য।

উদাহরণ হিসেবে, ওই যাত্রীর তালিকায় মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দীন চৌধুরী নামে একজনকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ ২০২২ সালের ২২ মে তাকে আরেক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়।

সূত্র : এএফপি ফ্যাক্টচেক